মানব পাচারের অভিযোগে দেড় শতাধিক বৈদেশিক শিক্ষা-পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ও ট্রাভেল এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে সরকার। যেসব রিক্রুটিং ও ট্রাভেল এজেন্সি এবং বৈদেশিক শিক্ষা-পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মানব পাচারের সঙ্গে জড়িত, তাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা হাতে পেয়েছে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মানব পাচার হয়েছে এবং হচ্ছে, যা নিশ্চিত হওয়া গেছে। পুলিশের বিশেষ শাখার (স্পেশাল ব্রাঞ্চ) মাধ্যমে ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন ১৪৭ বৈদেশিক শিক্ষা-পরামর্শক প্রতিষ্ঠান, রিক্রুটিং ও ট্রাভেল এজেন্সির নামের তালিকা হাতে পাওয়া গেছে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শিগগিরই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে। প্রবাসীকল্যাণ, পররাষ্ট্র, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি), পুলিশের বিশেষ শাখা, র্যাব ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে এরই মধ্যে মানব পাচার বিরোধী টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাগরপথে মালয়েশিয়ায় মানব পাচার শুরু হয় ২০০৮ সালে। কম টাকায় সুযোগ পেয়ে সারা দেশ থেকে বিভিন্ন পেশার লোকজন দালালের মাধ্যমে উখিয়ার উপকূলে এসে ট্রলারযোগে মালয়েশিয়ায় রওনা দেয়। এদের মধ্যে অনেকে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের হাতে আটক হলেও অধিকাংশই পাচার হয়ে যাচ্ছে মালয়েশিয়ায়। 
মানব পাচারের রুট : মানব পাচারকে কেন্দ্র করে টেকনাফে গড়ে উঠেছে কয়েকটি চক্র। এরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নিরীহ লোকদের নিজেদের জিম্মায় নিয়ে তাদের কাছ থেকে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা করে নিয়ে দালালদের হাতে তুলে দেয়। দালালরা পরে দিয়ে দেয় ট্রলার নিয়ন্ত্রণকারী দালালদের কাছে। রাজনৈতিক আশ্রয়ে এসব সিন্ডিকেট অপ্রতিরোধ্য হয়ে পড়েছে। মানব পাচারের রুট হিসেবে পরিচিত উখিয়ার জালিয়াপালং ইউনিয়নের বাদামতলী ঘাট, রেজুরমোহনা, ইনানী, চেপটখালী, মনখালী, মাদারবনিয়া, চোয়াংখালীসহ একাধিক ঘাটসংলগ্ন এলাকায় মানব পাচারকারীদের আস্তানায় যাত্রীদের জড়ো করা হয়। পরে সুযোগ বুঝে রাতের আঁধারে ছোট ডিঙি নৌকা দিয়ে গভীর সাগরে অপেক্ষমাণ ট্রলারে মাথাপিছু ১০ হাজার টাকা আদায় করে তুলে দেওয়া হয়। এরা প্রথমে ওতপেতে থাকে টেকনাফ নতুন বাস টার্মিনাল, পুরাতন বাস স্টেশন ও লেঙ্গুর বিল সড়ক, সাবরাং ডেইল পাড়া, নয়াপাড়া বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে। তবে টেকনাফ আসা বিভিন্ন যানবাহন পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গেই সিএনজি, মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসে করে মালয়েশিয়াগামীদের নিজেদের জিম্মায় নিয়ে নেয়।
পাচারকারী কারা? : অনুসন্ধানে জানা গেছে, পুলিশ ও বিজিবির কতিপয় সদস্য আর প্রশাসনিক অন্যান্য সংস্থার সহযোগিতায় চলছে মানবপাচার। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রণীত তালিকায় টেকনাফ, উখিয়াসহ কক্সবাজার জেলাতেই দেড় শতাধিক পাচারকারীর নাম থাকলেও পুলিশের সঙ্গে তাদের সখ্য থাকায় মানবপাচার থামছে না। পাচারকারীরা থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে টেকনাফ উপজেলার শতাধিক ব্যক্তিকে ‘অন্যতম পাচারকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৩১ জনকে গ্রুপ লিডার আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এই গ্রুপ প্রধানদের অনেকেই মিয়ানমারের নাগরিক। এরা কক্সবাজার, টেকনাফ, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে মানবপাচার করে যাচ্ছে। এদের সঙ্গে যুক্ত হয় স্থানীয় দালালরা। এরা বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তের অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত, বিদেশে পাড়ি জমাতে আগ্রহী সহজ-সরল মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়া পাচার করে চলেছে। টেকনাফ থানা সূত্র জানায়, বিভিন্ন সময় মানবপাচারের ঘটনায় বিদেশি নাগরিকসহ ২৫০ জন দালালের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে শতাধিক দালালকে আটকও করা হয়। এসব ঘটনায় মানবপাচার আইনে ৫১টি মামলা হয়েছে। এর পরও বন্ধ হয়নি মানবপাচারের মতো নিষ্ঠুর বাণিজ্য। উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়নের মানবপাচারের সি-পোর্ট-খ্যাত বাদামতলী ঘাট দিয়ে প্রতিনিয়ত মানবপাচার চলছে। মানবপাচারের গডফাদার হিসেবে খ্যাত নূরুল কবির ও তার স্ত্রী বেবি ম্যাডাম গ্রেফতার হলেও তার সহযোগীরা পাচার কাজ নির্বির্ঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে। জালিয়াপালং ইউনিয়নের লাল বেলাল, মোস্তাক আহমদ, ফয়েজ আহমদ, রোস্তম আলী, আবুল কালাম, আবু ছিদ্দিক, মোজাম্মেল, জাহেদ মেম্বার, জাগির হোছাইন, আমান উল্লাহ, বালুখালী এলাকার বখতিয়ার আহমদসহ অনেকেই মানবপাচার কাজে জড়িত থাকায় কোটিপতি বনে গেছেন। মানবপাচার করে কোটিপতির খাতায় নাম লিখিয়েছেন উখিয়ার হলদিয়াপালং ইউনিয়নের নলবনিয়া গ্রামের মৃত মনছুর আলীর ছেলে নূরুল হুদা। অভিযোগ আছে, দীর্ঘদিন ধরে উপকূলীয় জালিয়াপালং ইউনিয়ন পরিষদের সচিব পদে থাকাবস্থায় তিনি মানবপাচার কাজে জড়িয়ে পড়েন। কক্সবাজারে ইয়াবা বাণিজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই চলে ঘৃণ্য বাণিজ্য মানবপাচার। সরকারি বিভিন্ন বাহিনী ইয়াবা বাণিজ্য দমনে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার পর থেকে শত শত ইয়াবা ব্যবসায়ীও এখন মানবপাচার বাণিজ্যে এসেছে। এ বাণিজ্যে যুক্ত থাকায় বেশির ভাগ সময়ই তাদের পাচার কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সাগরপথে যাতায়াত করতে হয়। ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গ্রেফতার এড়িয়ে নিরাপদে থাকাটাও সহজ হয়েছে তাদের। কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পজুড়ে মানবপাচারের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা গডফাদাররাও রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। রোহিঙ্গা ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, আবু ছিদ্দিক, হাফেজ নঈম, আবু তৈয়ব, হাফেজ জালাল, মৌলভী আবু ছালে, জাফর আলম, মো. এনাম, মনিরুজ্জামান অভিবাসন ক্যাম্পগুলোকে মানবপাচারের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে আসছে।
মাঠপর্যায়ের পাচারকারী : অতিসম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে মানবপাচারকারী হিসেবে তালিকাভুক্ত অপরাধীদের সর্বোড়বচ গুরুত্বের ভিত্তিতে গ্রেফতার এবং মানবপাচার সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত তদন্তের নির্দেশনা দেওয়া হয়। ওই নির্দেশনার সঙ্গে মানবপাচারকারীদের একটি তালিকাও পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে। এদিকে স্থানীয় পর্যায়ে থানা পুলিশ, জেলা ডিবি এবং আরেকটি জাতীয় পর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থাও পৃথক পৃথকভাবে মানবপাচারকারীদের তালিকা করে। এসব তালিকা থেকে মানবপাচার কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে তৎপর সদস্যদের নাম-ঠিকানা চিহ্নিত করা সম্ভব হয়। এরা হচ্ছে : কক্সবাজার ইসলামপুর গ্রামের আবদু শুক্কুরের ছেলে নাসির প্রকাশ নাসিজ্যা (৩২), রামু থানার খুনিয়া পালং গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে মাহমুদুল হক (৩৫), মো. কালুর ছেলে নুরুল কবির বাদশা (৩৮), পশ্চিম সোনাইছড়ি গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে মুজিবুল হক (৪০), রামু থানার দারিয়ারদিঘি গ্রামের মৃত নজির আহম্মদের ছেলে মফিজুর রহমান (৩৫), উত্তর বড়বিল গ্রামের মৃত বোবা কালুর ছেলে মো. এরশাদ (২২), মনখালী গ্রামের মৃত রহমত শরিফের ছেলে তোফায়েল আহম্মদ (২৭), মৃত নজির আহম্মদের ছেলে আবদুল্লাহ (৩৩), চোয়াংখালী গ্রামের মৃত মো. হোছাইনের ছেলে মো. সাইফুল্লাহ ভুলু (৪০), ইমামের ডেইল গ্রামের মৃত মাহমুদুল্লা মেম্বারের ছেলে বেলাল (৩০), মো. শফির বিল গ্রামের মৃত খুইলা মিয়ার ছেলে মো. মোস্তাক (২৬), পশ্চিম সোনার পাড়া গ্রামের মৃত কাদির হোছন বৈদ্যের ছেলে নুর কবির (৫৫)। ডেইল পাড়া গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে মো. শফিক (৩০), মোহাম্মদ শফির বিল গ্রামের মৃত ইসলাম মিয়ার ছেলে আবদুস ছালাম (৩০), মৃত নুর আহম্মদের ছেলে জমির আহম্মদ (৩০), রামু এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে মোস্তাক আহম্মদ (৪২), টেকনাফের নয়াপাড়ার আমির হামজা, চোয়াংখালীর কালা মিয়ার ছেলে জাহেদ মেম্বার, মনখালীর মনির আহম্মদের ছেলে নুরুল আবছার প্রকাশ ধইল্যা (৩৮), রূপপতির ইসলাম মিয়ার ছেলে আবদুস ছালাম (৩৬), চেপটখালীর মো. শাকুরানের ছেলে আবদুল জলিল (৩৫), মৃত ছৈয়দ করিমের ছেলে নবী হোছন (৪২), সোনার পাড়ার সাদেক আলী (৫০), শাপলাপু গ্রামের শামশু প্রকাশ বাঘা শামশু, চোয়াংখালী গ্রামের বদি আলমের ছেলে মোজাম্মেল হক (৩৫), জাহেদ মেম্বার (৩৬), সোনারপাড়া গ্রামের কালা জমির (৪০), মাগুরা জেলার শালিখা এলাকার মো. ইসমাইলের ছেলে মো. হাকিম। টেকনাফের লেদা ক্যাম্পের মৃত আবদুল গফুরের ছেলে নুর হোছাইন (২৪), মৃত জমির হোসেনের ছেলে মো. নাগু (৩৫), নাজির পাড়া গ্রামের মৃত মনি উল্লাহর ছেলে কামাল (৩০), কাটাবনিয়া গ্রামের ছৈয়দ আহম্মদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মৃত লাল মিয়ার ছেলে মো. রফিক, আবদুল মাজেদের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম, মোজাহের মিয়া, যশোর ঝিকরগাছা গ্রামের আজিজুল (৩৮), নরসিংদীর চর আড়ালিয়া গ্রামের এমরান, মোমেন (৩৫), মাদারবুনিয়ার আবদুল জলিল, লম্বরী পাড়ার বেলাল প্রকাশ লাল বেলাল (৩৫), পশ্চিম সোনারপাড়ার জালাল উদ্দিন, চেপটখালীর ফয়েজ প্রকাশ ফয়েজুর রহমান (৩৫) আবুল কালাম, কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের আলী আহম্মদের ছেলে দিল মোহাম্মদ (৩৮), আমিন উল্লাহ নাগুর ছেলে মো. ফারুক (১৯), শামশুল আলমের ছেলে জোবাইর হোসেন (২০), কক্সবাজার কালুর দোকান এলাকার রোহিঙ্গা মো. জুহারের ছেলে মনজুর আহম্মদ (১৮), মৃত কালা মিয়ার ছেলে কাশেম (৪০), জাহিদ হোছাইনের ছেলে আবুল কালাম (২৬), চট্টগ্রাম কর্ণফুলী চিরারটেক গ্রামের রোহিঙ্গা মো. আজিম (৩৬), উখিয়ার রূপপতি গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে জমির মিয়া, গফুর মিয়া (৩৮)। কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের সেকান্দরের ছেলে আবু ছৈয়দ (২৬), আবু ছিদ্দিক (৩০), চোয়াংখালী গ্রামের শামশুল হকের ছেলে ছলিম উল্লাহ (৩০), মাদারবনিয়া গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুল জলিল (২৫), জালিয়া পালং ডেইলপাড়া গ্রামের আবদুস ছালামের ছেলে মো. আবু তাহের (৩৫), আহম্মদ হোছনের ছেলে জসিম উদ্দিন (২৮), রফিক উল্লাহ (৩০), রহমত উল্লাহ (৩২), কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের রোহিঙ্গা মৃত ফোরকান আহম্মদের ছেলে রবিউল আলম (২২), পশ্চিম সোনারপাড়া গ্রামের শামশুল আলমের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮), কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের মৃত ফারুক আহম্মদের ছেলে ছৈয়দ আমিন (২৭), হাছু মিয়ার ছেলে হামিদ হোসেন (২২), জাফর আহম্মদের ছেলে আরিফ উল্লাহ (২০), শফি উল্লাহর ছেলে ছৈয়দ কাশেম (১৯), কামাল হোছনের ছেলে রশিদ উল্লাহ (২০), উলা মিয়ার ছেলে মো. কালু (২০), সোনারপাড়া গ্রামের মির আহম্মদ প্রঃ মিরু বলির ছেলে মো. শফিউল আলম (৩০), নাজির হোছন প্রঃ নাজুর ছেলে জয়নাল আবেদিন (২৮), শামশুল আলমের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)। টেকনাফের শাপলাপুর পুরানপাড়ার শফিউল্যাহর ছেলে আশিক উল্যাহ (২০), শহীদুল্যাহ (৩২), মৃত হাবিব উল্যাহর ছেলে শফি উল্যাহ (৬০), বাহার ছড়ার মৌলভী আজিজ উল্লাহ (৩৫), সোনারপাড়া গ্রামের মৃত কাদের হোছাইন বৈদ্যর ছেলে নুরুল কবির (৪০), নুরুল কবিরের ছেলে নুরুল আবছার (২০), বশির আহম্মদের ছেলে নজরুল ইসলাম (২৫), মো. ইলিয়াছের ছেলে সাগের আলী প্রঃ সাগর (৩০), নুরুল আলম মাঝি মো. আলম (৩৫), সোনাইছড়ি গ্রামের মো. সোলতান প্রঃ হাতী সোলতানের ছেলে জিয়াউল হক (৩৮), শফি আলম (৩৮), মনখালী গ্রামের মোহাম্মদ হোছন প্রঃ ফেসুক্রুরী (৪৫), মৃত আবদুর রহমানের ছেলে আবদুর রাজ্জাক (২৮), মো. ফয়সাল (৩২) ও মোহাম্মদ হোছাইন (৩৫)।
Report: আনোয়ারুল করিম/নিউজওয়ার্ল্ডবিডি.কম/newsworldbd.com/



Leave a Reply