দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকা থেকে দুই দিনে ২০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার ৬ জন এবং বুধবার ১৪ জনকে অব্যাহতিপত্র ধরিয়ে দেওয়া হয়। ইংরেজিতে লেখা সংক্ষিপ্ত অব্যাহতিপত্রে বলা হয়- ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ মনে করছে কালের কণ্ঠে আপনার চাকরির আর প্রয়োজন নেই।
ছাঁটাইয়ের তালিকায় আরো ২০ জন রয়েছেন বলে জানা গেছে। গণছাঁটাই নিয়ে এমনিতে আতঙ্কের মধ্যে পরবর্তী ধাপের ২০ জনের মধ্যে কে রয়েছেন তা নিয়ে পত্রিকাটিতে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।
এরইমধ্যে অব্যাহতিপত্র পাওয়াদের তালিকায় রয়েছেন বিশেষ প্রতিনিধি কাজী হাফিজ, ফটোবিভাগের প্রধান রফিকুর রহমান রেকু, বিনোদন বিভাগের প্রধান এস এম রানা, সিনিয়র রিপোর্টাির বিপ্লব রহমান প্রমুখ।
হঠাৎ করেই চাকরিচ্যুতির আদেশ পেয়ে দিশেহারা হয়ে এদের মধ্যে কয়েকজন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
কালের কন্ঠের একটি সূত্র জানায়, খরচ কমানোর জন্য গণছাঁটাইয়ের কথা বলা হলেও আসলে সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন ও উপদেষ্টা সম্পাদক অমিত হাবিবের গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্বের জের ধরেই ছাটাইয়ের তালিকা তৈরি হয়েছে।
বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের অধীনস্থ দৈনিক কালের কণ্ঠ প্রচার সংখ্যায় প্রথম সারিতে থাকলেও বাণিজ্যিকভাবে এখনও লাভবান হতে পারেনি। খরচ কমানোর কারণে এবারের ১৪ জনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
কালের কণ্ঠ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের পক্ষে ২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি আবেদ খান-এর সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনকে সম্পাদকের পদে আনা হয়।
পত্রিকাটি প্রিন্ট সংস্করণ আড়াই লাখের কোঠা পার করেছে বলে দাবী ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের। তবে সেটা ছিল প্রকাশনার প্রথম এক বছর। বর্তমানে এর প্রচারসংখ্যা এক লাখের কিছু বেশি।
বিশেষ প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম



Leave a Reply