বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

সালাহউদ্দিন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত, ফের হাসপাতালে

Salah uddin-Hospital Bedমনজুর আহমদ বড়ভূঁইয়া, শিলচর (আসাম) থেকে॥
বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতিক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় ডায়রিয়া শুরু হলে মধ্যরাতের দিকে পরিস্থিত খারাপ হলে তাকে নেগ্রিমস হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো ভারতের শিলংয়ের নেগ্রিমস হাসপাতালে থাকেন তিনি। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নেগ্রিমসের চিকিৎসকেরা তাঁকে হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন বলে জানান হাসপাতালের পরিচালক এ জে এহেনগার। সালাহ উদ্দিন আহমদের ভারতীয় আইনজীবী এস পি মাহান্তাও হাসপাতালে খোঁজখবর নিয়েছেন।

নর্থ ইস্টার্ন ইন্দিরা গান্ধী রিজওনাল ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (নেগ্রিমসের) পরিচালক এ জে এহেনগার জানান, বুকের ব্যথার পাশাপাশি ডায়রিয়ায় ভুগছেন সালাম উদ্দিন আহমদ। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত তাঁর জন্য গঠিত চিকিৎসকদের বোর্ড তাঁকে হাসপাতালে রাখতে চাইছেন।

আইনজীবী এস পি মাহান্তা জানান, সালাহ উদ্দিন আহমদের জামিন চেয়ে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের শুনানি আগামীকাল শুক্রবার আদালতে হবে। ২২ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি এই আবেদন জানান। সরকার পক্ষের কৌঁসুলি জামিনের বিরোধিতা করেন। তবে বিচারক মামলার নথি আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।

বুধবার দুপুরে শিলংয়ের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম লিংদো নংব্রি বিএনপির নেতাকে দুই সপ্তাহের জন্য আইনি হেফাজতে (কারাগারে) পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুই সপ্তাহ পর শুনানির জন্য তাঁকে আবার আদালতে হাজির করতে বলা হয়। তবে আদালতে হাজিরের পর সালাহ উদ্দিন বুকে ব্যথা অনুভবের বিষয়টি উল্লেখ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাঁর শুশুষ্রার নির্দেশ দেন আদালত। এর পর জেলে পাঠানোর ছয় ঘণ্টার মাথায় বুধবার রাতে তাঁকে আবার নেগ্রিমসে পাঠানো হয়।

১১ মে ভোরে সালাহ উদ্দিন আহমদকে শিলং পুলিশ গ্রেপ্তার করে পাস্তুর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে তাঁর প্রাথমিক স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য নেওয়া হয় সেখানকার সিভিল হাসপাতালে। এরপর শিলং সদর পুলিশ থানা হয়ে নেওয়া হয় মানসিক হাসপাতাল মিমহানসে। এক দিন পর মিমহানস থেকে আবার তাঁকে পাঠানো হয় সিভিল হাসপাতালে। ২০ মে সিভিল হাসপাতাল থেকে সালাহ উদ্দিন আহমদকে নেগ্রিমসে আনা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পুলিশ গত মঙ্গলবার বিএনপির এই নেতাকে শিলং সদর থানা হেফাজতে নিয়ে গিয়েছিল।

উত্তরপূর্ব ভারত প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *