সাংবাদিক অঞ্জন রায়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসে মন্তব্যর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুকে ঘটে যাওয়া ঝড় এবং এরপর আযমীর বিরুদ্ধে থানায় অঞ্জন রায়ের জিডি করাকে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন গোলাম আযমের পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে আযমী বলেছেন, পত্র-পত্রিকা ও ফেইস বুক মারফাত জানতে পারলাম যে, ৩১শে মে ২০১৫ তারিখে অঞ্জন রায় শাহবাগ থানায় আমার বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরী করেছেন। ডায়েরীতে আমি ফেইস বুকে তাঁকে “হুমকি” দিয়েছি বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। তার এই বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত, কেননা তাঁর বিরুদ্ধে বা তাঁকে কেন্দ্র করে কোন ‘হুমকি’ আমি কখনই দেই নি। আমি আমার বিরুদ্ধে এই ডায়েরী করার তীব্র নিন্দা জানাই।
প্রকৃত ঘটনা হলো, জনাব অঞ্জন রায় এর ২৮শে মে ২০১৫ তারিখের ফেইস বুকের একটি মন্তব্যের সমালোচনা করে আমি ২৯শে মে আমার ফেইস বুক একাউন্টে একটি ‘পোষ্ট’ দেই। আমার পোষ্টে উনার বক্তব্যের বিপরীতে আমি কিছু বক্তব্য রাখি। আমার সেই বক্তব্য মিথ্যা হলে এবং উনার বক্তব্য সত্য হলে তিনি তথ্য উপাত্ত সহ আমার বক্তব্য খণ্ডন করতে পারতেন। অথচ, তিনি আমার বক্তব্যের কোন জবাব না দিয়ে আমি তাকে ‘হুমকি’ দিয়েছি মর্মে থানায় মিথ্যা ডায়েরী করেছেন। আমি মনে করি কেবলমাত্র আমাকে হয়রানি করা ও বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যেই এই ডায়েরী করা হয়েছে।
উল্লেখ করা যেতে পারে, একটি মহল কিছুদিন পরপরই আমাকে হয়রানি ও বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে আমাকে নিয়ে গণমাধ্যমে হৈ চৈ শুরু করে। এই ডায়েরীও সেই প্রচেষ্টারই ধারাবাহিকতায় করা হয়েছে বলে আমি মনে করি। স্মরণ করা যেতে পারে, আমি সব সময়ই স্পষ্টভাবে বলেছি যে, আমি রাজনীতি করি না এবং কোন দলের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। আমি প্রায় ৩০ বৎসর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে চাকুরী করে সকলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। কিন্তু, তারপরও আমার বাবার নাম নিয়ে বারবার আমাকে বিতর্কিত করার এই ধরণের অপচেষ্টা আপত্তিকর ও নিন্দনীয়। আমি সকলকে এহেন কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আশা করি আমার এই বিবৃতির পর এ নিয়ে সকল ভুল বুঝাবুঝির অবসান হবে।
নিউজ ডেস্ক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply