বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসামের কিছু অংশজুড়ে বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ। ঢাকা ও কলকাতায় উঠেছে নাভিশ্বাস। ঢাকায় বৃষ্টি যেন হারিয়ে গেছে। ২৯ মে থেকে শুক্রবার টানা সাতদিন ধরে বৃষ্টি নেই। তাপমাত্রা বাড়ছে। হাঁপ ধরা গরমে অতিষ্ঠ নগরের মানুষ। শুধু ঢাকা নয়, পুরো এই অঞ্চলেই জৈষ্ঠ্যের শেষদিকে একই অবস্থা। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলছে, এই অবস্থা আরও কয়েকদিন থাকবে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বৃষ্টি না হওয়ায় গরম বাড়ছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় শরীরের থেকে ঘাম ঝরছে। তাই গরম বেশি অনুভূত হচ্ছে। ঢাকায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ রাশেদুজ্জামান শুক্রবার সকালের দিকে জানান, বছরের এই সময়ে তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করে। বর্ষাকালও এখন থেকেই শুরু হয়। কিন্তু মৌসুমী বায়ু না বাংলাদেশ উপকূল পর্যন্ত না আসায় বৃষ্টি হচ্ছে না। কালবৈশাখীও হচ্ছে না। তাই সবমিলিয়ে গরম বাড়ছে। তবে দুই-একদিনের মধ্যে মৌসুমী বায়ু ইয়াঙ্গুন থেকে বাংলাদেশ উপকূলে বিস্তৃত হলে বৃষ্টির হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকাসহ দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এখন মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ বইছে। এ অবস্থা আরও দুই-তিন চলবে। রাজধানী ঢাকায় গত বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার তা বেড়ে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়েছে। একদিনের ব্যবধানে ঢাকায় তাপমাত্রা বেড়েছে ১ দশমিক ২ ডিগ্রি।
বাংলাদেশ বেশির ভাগ এলাকায় তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। তবে অসহ্য গরমের মাত্রাটা আরও যেন বেশি যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা, রাজশাহী অঞ্চলে। গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে, ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশের জেলা চুয়াডাঙ্গায় ছিল ৩৮ দশমিক ৫, সাতক্ষীরায় ৩৭ দশমিক ৮। উত্তরের জেলা রাজশাহীতে তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২৪ ঘণ্টায় কুতুবদিয়ায় ৪৫, টেকনাফে ১৯ সন্দ্বীপে ৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। অন্য সব জায়গা ছিল বৃষ্টিশূন্য।
নিজস্ব প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply