বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ভারতের গণমাধ্যমে মোদির সফর: খণ্ডচিত্র

Indian-Newspapersভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতা গ্রহণের পর গত এক বছরে প্রতিবেশীসহ ১৮টি দেশ সফর করেছেন। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে কেবল বাকি ছিল বাংলাদেশ। তিনি শনিবার দুদিনের সফরে আসছেন বাংলাদেশে। তার এই বাংলাদেশ সফরকে ভারতীয় গণমাধ্যম কিভাবে দেখছে, তার একটা খণ্ডচিত্র এখানে তুলে ধরা হলো।

ভারতের দি ডিপ্লোম্যাট পত্রিকায় ‘নরেন্দ্র মোদি প্রিপেয়ার্স টু ভিজিট বাংলাদেশ’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষের তির্যক সমালোচনা সত্ত্বেও হাসিনা সরকার ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখেছে। এজন্য মোদির বাংলাদেশ সফর হাসিনা সরকারের জন্য শুভেচ্ছার বার্তাই বহন করে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে টানাপোড়েন পরিস্থিতি বিরাজ করেছিল তা হাসিনার আমলে অনেকটাই লাঘব হয়েছে। সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যাটি নিরসন করা হয়েছে। তার কিছু দিন আগে আন্তর্জাতিক আদালত সমুদ্র বিরোধও নিষ্পন্ন করে দিয়েছে।

নরেন্দ্র মোদির একটি সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস উল্লেখ করে, ‘ভারতের সুবন্ধু, প্রেরণা ও দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক স্তম্ভ মহত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের বঙ্গবন্ধু ন্যাশনাল মিউজিয়াম পরিদর্শন করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আমি। অটল জীর পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সম্মাননা গ্রহণ করাটাও আমার জন্য একটি বড় বিষয়। অটল জী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সুসম্পর্কের উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন এবং ১৯৯৯ সালে তিনি বাংলাদেশ সফরও করেছেন।’

বার্তা সংস্থা ডেইিল নিউজ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস ‘হাউ পিএম মোদি’স ভিজিট টু বাংলাদেশ উইল হেল্প রিডিউস ট্রাস্ট ডেফিসিট ইন বাইলেটারেল রিলেশানস’ শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে দোষারোপ করে মন্তব্য করা হয়েছে, হাসিনার মাধ্যমে ভারত-বাংলাদেশের সুসম্পর্কটাকে বিএনপি বরাবরই ভারতের দাসত্ব হিসেবে দেখেছে এবং সেভাবেই দলটি হাসিনা সরকারের সমালোচনা করেছে। এজন্য বিএনপি সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রায় তলানিতে চলে গিয়েছিল।

জি নিউজ উল্লেখ করে, ভারতের পাঁচটি রাজ্য- ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ ও মিজোরামের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। এজন্যই ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। মোদির বাংলাদেশ সফর এই দুটি প্রতিবেশী দেশের জন্য সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহায়ক হবে। দুটি দেশের মধ্যেই পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় রয়েছে।

মিডিয়া ডেস্ক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *