দীর্ঘদিনের দাবি মেনে নিয়ে ভারতে বাংলাদেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রদর্শনে ‘অলিখিত’ বাধা দূর হতে যাচ্ছে। নরেন্দ্র মোদির সফরে এর একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়ে যাওয়া হবে। এরপর কিছু দাফতরিক প্রক্রিয়া শেষে মুক্তবাজারের মতো বাংলাদেশি চ্যানেলগুলো ভারতে প্রদর্শনে নিজেদের সক্ষমতা দেখাতে শুরু করবে। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর ৫ জুন নয়াদিল্লিতে এভাবেই বলছিলেন তার কথা। মোদির বাংলাদেশ সফর উপলক্ষ্যে সাউথ ব্লকের বিদেশ মন্ত্রকে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বাংলাদেশকে ‘ব্যতিক্রমী প্রতিবেশী’ বলে বর্ণনা করলেন তিনি।
জয়শঙ্কর বাংলাদেশি জনগণের দীর্ঘদিনের একটি দাবির সম্ভাব্য মীমাংসার কথা জানান সংবাদ সম্মেলনে। নিজের প্রারম্ভিক বক্তব্যের সময়ই তিনি বলেন, বাংলাদেশি টিভি চ্যানেলগুলির অনুষ্ঠান যাতে ভারতে দেখা যায়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। বিষয়টি বিস্তারিত করার অনুরোধ জানানো হলে জয়শঙ্কর বলেন, ‘শনিবার মোটামুটি এই সময়ই আমি ঢাকায় এই সফরের বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে সব জানাব। অতএব মাত্র চব্বিশ ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকার অনুরোধ করছি। তবে এটুকু বলতে পারি, ভারতের টিভি চ্যানেল বাংলাদেশে দেখা গেলেও সে দেশের টিভি অনুষ্ঠান এ দেশে দেখা যায় না। এটা বাংলাদেশের মানুষদের দীর্ঘদিনের দাবি। আমরা ওঁদের সঙ্গে একমত। আমরা চাই বাংলাদেশের টিভি অনুষ্ঠান এ দেশের মানুষ দেখতে পান। কী ভাবে করা হবে তা কালই (শনিবার) জানতে পারবেন।’
রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড ছাড়া বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলো হলো সংবাদভিত্তিক এটিএন নিউজ, সময় টিভি, একাত্তর টিভি, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন ও যমুনা টিভি। এছাড়া বিনোদনমূলক চ্যানেলের মধ্য রয়েছে আরটিভি, একুশে টেলিভিশন, এটিএন বাংলা, এনটিভি, এশিয়ন টিভি, এসএ টিভি, গান বাংলা, জিটিভি (গাজী), চ্যানেল আই, চ্যানেল টোয়েন্টিফোর, দেশ টিভি, বাংলাভিশন, বৈশাখী টিভি, মাই টিভি, মাছরাঙ্গা টিভি প্রভৃতি।
নয়াদিল্লি প্রতিনিধি
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply