কয়েকজনে মিলে গণধর্ষণের আলোড়িত কিছু ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার আরো বীভৎস ঘটনার খবর পাওয়া গেল। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় আসামের ধুবড়ি সীমান্তের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ধর্ষণের পর সদ্য মাধ্যমিক পাস করা এক ছাত্রীকে গলাকেটে হত্যা করেছে ধর্ষকরা। ধর্ষকদের মধ্যে ওই কিশোরীর কথিত এক প্রেমিকও ছিল। যে কিনা ধর্ষণ শেষে খুন করার পর ‘হৃদরোগে’ আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। রবিবার বোয়ালমারী গ্রামে ওই মেয়ের নিজ বাড়িতে গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে।
ধর্ষণের পর মারা যাওয়া যুবকের নাম আয়ুইব আলী (২২)। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে পুলিশ নাসির উদ্দিন (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে।
রৌমারী থানার ওসি সোহরাব হোসেন জানান, বোয়ালমারী গ্রামের মৃত আব্দুল হাই আকন্দের মেয়ে আর্জিনা খাতুন (১৬) গত সপ্তাহে ফলাফল প্রকাশ হওয়া মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছে। ঘটনার সময় আর্জিনা ছাড়া বাড়িতে কেউ ছিল না। দুপুরে আর্জিনার ‘বখাটে প্রেমিক’ আয়ুইব আলী তার দুই বন্ধুকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ এবং গলাকেটে হত্যা করে। তাদের রান্না ঘরে লাশ পাওয়া যায়। পালিয়ে যাওয়ার সময় আয়ুইব আলী ‘হার্ট অ্যাটাকে’ মারা যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহত ছাত্রী ও তার ‘বখাটে প্রেমিকের’ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুড়িগ্রাম হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
নিহত স্কুল ছাত্রীর মা সাজেদা বেগম জানান, “আয়ুইব আলী মেলা দিন থিকা আমার মেয়েকে বিরক্ত করছিল। আর এ কারণে ওর বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু শয়তানরা তাকে বাঁচতে দিল না।”
পরিকল্পিতভাবে তিন বখাটে ওই লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বলেন ওসি। আয়ুইব আলীর মৃত্যু প্রসঙ্গে ওসি জানান, ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটিকে জবাই করার পর ভয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আরেকজনকে গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানান তিনি।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply