বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

স্বামীকে বেঁধে গৃহবধূ গণধর্ষণে আটক এক

Rape-aaaমাসির বাড়িতে বেড়াতে এসে স্বামীকে বেঁধে রেখে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার রামপুরা এলাকায় তরুণী গৃহবধূকে গণধর্ষণের ঘটনায় রহমান নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার ১৩ জুন রাত বারওটার দিকে রামপুরা এলাকা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, ‘আসামিদের মধ্যে রহমান নামের একজনকে রামপুরা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে সঙ্গে নিয়ে অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে। আশা করি, অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’

ওসি আরো বলেন, ‘রামপুরা এলাকায় স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী একত্র হয়ে শুক্রবার বিকেলে একটি বাসায় জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সে সময় ওই বাসায় বেড়াতে আসা এক দম্পতির ওপর তারা হামলা চালায় এবং টাকাপয়সা লুটপাট করে। এ ছাড়া তারা গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে ও বাসার গৃহকর্ত্রী খালাকে বাথরুমে আটকে রেখে তাকে ধর্ষণ করে। তবে তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে সবকিছু বলা যাচ্ছে না।’

এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই নারী শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি হওয়ার পর এ খবর জানাজানি হয়। পরে এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোজাম্মেল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসে রামপুরায় খালার বাসায় ওঠেন ওই দম্পতি। সেদিন বিকেলে খালা বাইরে গেলে সুজন, মঈন, আরিফ, ফরহাদসহ এলাকার চিহ্নিত কিছু সন্ত্রাসী বাসায় ঢুকে স্বামীকে বেঁধে মারধর করে। এ সময় তাঁর কাছে থাকা তিন হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয়। এ ছাড়া গৃহবধূর স্বামীকে দিয়ে জোর করে তাদের বিকাশ হিসাবে চার হাজার টাকা পাঠানো হয়। ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা গৃহকর্ত্রীকে (খালা) বিষয়টি জানালে তিনি দ্রুত ঘরে ফিরে আসেন। তিনি আসার পর দুর্বৃত্তরা তাঁকে বাথরুমে আটকে রেখে বেড়াতে আসা ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে। এর পর পুলিশ পৌঁছানোর আগেই দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।’

এ ঘটনায় শনিবার গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে রামপুরা থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। ঘটনার শিকার গৃহবধূকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে ভর্তি করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *