এমবিবিএস তো ননই, তাদের কোনো ডাক্তারি সার্টিফিকেট নেই, সাধারণ শিক্ষায় পড়ালেখা করেছেন কেউ কেউ। তবে এরা সবাই ডাক্তার বাবু। ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় এরা পসারও জমিয়ে ফেলেছেন। এরকম তিনজন ডাক্তারকে বুধবার আটক করে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী র্যাব। ঢাকার শ্যামরী এলাকার আদাবরে অভিযান চালিয়ে এদের আটকের পর বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরমধ্যে একজন ভুয়া দাঁতের ডাক্তারও রয়েছেন।
ভুয়া ডাক্তাররা হলেন, মো. শফিউল্লাহ খান (৪৫), মো. তরিকুল ইসলামকে (৪০) ও এমএম রাশেদুজ্জামান (৪৮)। এদের প্রত্যেককে একবছর কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।
আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিংয়ের ১০ নম্বর রোডে খান মেডিসিন কর্নারে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ১২ বছর ধরে মো. শফিউল্লাহ খান সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করছেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শফিউল্লাহ মাস্টার্স পাস বলে জানান।
এদিকে আদাবরের সুনিবিড় হাউজিংয়ের ১৬ নম্বর রোডে জয় ফার্মেসিতে ডাক্তার পরিচয় দিয়ে ৯ বছর ধরে মো. তরিকুল ইলসাম চিকিৎসা চালিয়ে আসছেন। তরিকুল এইচএসসি পাস বলে জানান।
এছাড়া উত্তর আদাবরের ২৮ নম্বর রোডের কাঁচা বাজারের পাশে নাহিদ ডেন্টাল সার্জারিতে চার বছর ধরে (রিলায়েন্স ফার্মেসি-২) এমএম রাশেদুজ্জামান দাঁতের ডাক্তার পরিচয় দিয়ে রোগীদের চিকিৎসা করছেন। তিনি র্যাবকে জানিয়েছেন, তার চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো ডিগ্রি নেই।
র্যাব-২ এর অপারেশন অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার মারুফ আহমেদ জানান, র্যাব কয়েকদিন আগেও কাওরান বাজারে অভিযান চালিয়ে তিন ভুয়া দাঁতের ডাক্তারকে আটক করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply