মালয়েশিয়ায় সরকারি পর্যায়ে জনশক্তি রফতানি প্রক্রিয়া ব্যর্থ হওয়ার পর আবারো রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রফতানি প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। চলতি বছর রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে বাংলাদেশ থেকে পাঁচ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া। বুধবার ২৪ জুন কুয়ালালামপুরে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে এক বৈঠকে মালয়েশীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ জাহিদ হামিদি এ কথা জানান। ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বৈঠকের বরাত দিয়ে মন্ত্রণালয় জানায়, সরকারি পর্যায়ে (জি টু জি) কর্মী পাঠানোর জন্য ইতোমধ্যে আগ্রহীদের যে তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হয়েছে, সেখান থেকেই বাছাই করে এই পাঁচ লাখ কর্মী নেবে মালয়েশিয়া।
বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির বড় বাজার মালয়েশিয়া। বর্তমানে প্রায় ছয় লাখ বাংলাদেশি সেখানে বিভিন্ন পেশায় রয়েছেন।
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ২০১৩ সালে জি টু জি পদ্ধতিতে বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি নিতে শুরু করে মালয়েশিয়া। সে অনুযায়ী শুধু সরকারিভাবে মালয়েশিয়ার ‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে শ্রমিক পাঠানো হচ্ছিল।
‘প্ল্যান্টেশন’ খাতে কাজ করতে আগ্রহীর সংখ্যা কম হওয়ায় ওই উদ্যোগে আশানুরূপ সাফল্য পাওয়া যায়নি। সে সময় প্রতি ছয় মাসে ৫০ হাজার শ্রমিক পাঠানোর লক্ষ্য ঠিক হলেও জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসেবে গত দুই বছরে পাঠানো হয়েছে মাত্র সাত হাজার।
এরপর জি টু জি পদ্ধতি সংস্কার করে এতে বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
এ বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নিতে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল নিয়ে মঙ্গলবার কুয়ালালামপুরে পৌঁছান বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের সঙ্গেও তার সাক্ষাতের সূচি রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply