রেল নিয়ে বেশি করে এবং গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। কারণ ছোট্ট এই দেশটিকে রেলের নেটওয়ার্কে যদি আমরা এক সূতায় গাঁথতে পারি তা হলে সেটি হবে সোনায়-সোহাগা। এর উপকারিতা যে কত তা ভাষায় প্রকাশ করা সহজ কথা নয়। বাংলাদেশ ঘন বসতীর দেশ। এদেশে ট্রেন যাত্রীর কমতি নেই। রেল যোগাযোগকে অগ্রাধিকার বা ‘ফাস্ট প্রায়োরিটি’ দিয়ে যোগাযোগ নেট ওয়ার্ক সাজাতে হবে। নদীমাতৃক বাংলায় একদা নৌ যোগাযোগই ছিল অন্যতম পথ। এখন নদীগুলো নাব্যতা হারিয়েছে এবং হারাচ্ছে। তাই পণ্য পরিবহনেরও সহজ এবং সস্তা বাহন একমাত্র ট্রেনই হতে পারে। কিন্তু সম্প্রতি চট্টগ্রামে রেল সেতু ভেঙ্গে রেলের ওয়াগন গর্তে পড়ে যাওয়ার খবর পড়ে হতাশ হতে হয়। হতাশ হই যখন সংবাদপত্রে খবর পড়ি রেলের জমি এখনও অবৈধ দখলদাররা দখল করেই চলেছে। আবার যখন জানতে পারি লোকবলের অভাবে বিভিন্ন স্টেশন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং বন্ধ করা হচ্ছে বিভিন্ন রুটের ট্রেন।
অথচ সম্প্রতি সংসদের বাজেট অধিবেশনের পর বলেছেন রেলের ব্যাপক উন্নয়নের জন্য ২০ বছর মেয়াদি মহা উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। তাতে তিনি আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন বরিশাল এবং গোপালগঞ্জের টঙ্গিপাড়া পর্যন্ত নতুন ট্রেন লাইন হবে, এছাড়াও ঈশ্বরদী-পাবনা-ঢালারচর ট্রেন লাইনের কাজ চলতি বছরই শেষ হবে। ভাল কথা।
কিন্তু পরিকল্পনা ২০ বছর মেয়াদি কেন? আগামী পাঁচ বছরে কি হবে বা আগামী বছরের মধ্যে রেলের কি উন্নতি হবে তার ব্যাখ্যা আমরা দেশবাসী জানতে চাই। কারণ আমরা হতাশ। ইতোমধ্যেই রেলের প্রায় অর্ধেক জমি বেহাত হয়ে গেছে। ঈশ্বরদী, পাকশী, লালমণিরহাট, সৈয়দপুর, রাজবাড়িসহ বিভিন্ন স্থানে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রেলওয়ের বাড়ি সমূহ অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে গেছে। নতুন রেল লাইন তৈরির কাজে অগ্রগতি খুবই কম। ঢাকা-চট্টগ্রাম ডাবল লাইনের কাজ গত পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। কাজ চলছে ঈশ্বরদী-পাবনা-ঢালারচর রেল লইনের। নির্মানের গতি শ্লথ। যদিও রেলমন্ত্রী বলেছেন ডিসেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ হবে। কাজের গতি দেখে একথা বলা যায়, যে গতিতে কাজ চলছে এভাবে চললে আগামী দুই বছরেও কাজ শেষ হবে না। কাজ কেমন হচ্ছে, কি তার অগ্রগতি, তা দেখার জন্য রেলমন্ত্রী একবারও পাবনা কিংবা ঢালারচরে এসেছেন এমন খবর আমাদের জানা নেই।
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা গেল শুধুমাত্র ঈশ্বরদী এবং পাকশীতে রেলের রয়েছে দুই হাজার নয়’শ বাড়ি। এর মধ্যে দুই হাজার আট’শটি বাড়িই বেদখল হয়ে গেছে। এসব বাড়ি এখন অবৈধ দখলদাররা ভাড়া দিয়ে বেশ মোটা টাকা আয় করে চলেছেন। পার্বতীপুর, রাজবাড়ি এবং সৈয়দপুরের প্রায় পাঁচ’শ রেলের বাড়ি বেদখল। অনেক স্থানে রেলওয়ের কর্মচারিরা তাদের নামে বরাদ্দকৃত বাড়িতে না থেকে তা অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ভাড়া দিয়ে মোটা টাকা আয় করছেন। এটি চলছে বছরের পর বছর যুগের পর যুগ। যে সব শহরের মধ্য দিয়ে রেল লাইন চলে গেছে সেখানে রেলের জমিতে পাকা দোকান তৈরি করে তৃতীয় পক্ষ টাকা আয় করছে। অপর দিকে রেলের জমিতে ফসল আবাদ করে বেশ আয় রোজগার করছে প্রভাবশালী কৃষক। জমি যিনি লিজ নিয়েছেন তিনি আবার সাব লিজ দিয়ে মোটা টাকা আয় করেছেন। চট্টগ্রাম-দোহাজারি রুটের ১১ টি স্টেশন এলাকায় কয়েক’শ কোটি টাকার জমি বেদখল। ঢাকা, ময়মনসিংহ, বগুড়া, রংপুর, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, রাজশাহী, চাঁপাই নবাবগঞ্জ শহরে রেলের জমিতে দোকানপাট অফিস চলছে অবৈধ দখল করে।
এসব দখলী অপকর্মের সঙ্গে রেলের স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তারা জড়িত। জাল দলিল তৈরি করে কত ব্যক্তি যে রেলের জমি নিজের করে নিয়েছেন তার হিসাব রেল মন্ত্রীর কাছে নেই। পাকশীতে এক ব্যক্তি রেলের জমি বেদখল করে রিসোর্ট তৈরি করে দিব্বি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওবায়দুল কাদের রেলমন্ত্রী থাকাকালীন পাকশী আসেন এবং ওই অবৈধ রিসোর্ট উচ্ছেদের পরিকল্পনা নেন। বুলডোজার ভাঙার কাজও শুরু করে। এর পর মাত্র দুই ঘন্টার মধ্যে অজ্ঞাত কারণে তা বন্ধ হয়ে যায়। তার ক’দিন পরেই মন্ত্রী পরিষদে রদবদল হয়। ওবায়দুল কাদেরকে সেতু ও সড়ক যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তখন ওই রিসোর্টের মালিককে মুখ টিপে হাসতে দেখেছি। এই ঘটনার পর থেকে পাবনা-ঈশ্বরদী এলাকার লোকজনের মনে ধারণা জন্মেছে পাকশী রিসোর্ট-এর মালিকের হাত এতটাই বড় যে তার রিসোর্ট উচ্ছেদ তো ওবায়দুল কাদের করতে পারলেনই না বরং তাকে রেল মন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হলো। ওবায়দুল কাদের প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক ও সেতুর কাজের অগ্রগতি দেখছেন। আর রেলমন্ত্রী কি করছেন? তাকে নিয়ে লোকজন নানা টিপ্পনি কাটছেন।
রেলের মোট জমির পরিমাণ কত তা রেল কর্তৃপক্ষর জানা নেই! সেটি জানার জন্য ‘শেলটেক’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে কনসালটেন্সি প্রদান করা হয়েছে। উক্ত প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে রেলের জমি খুঁজে বেড়াচ্ছে। রেলের ৩০ হাজার ৫শ ১৪ একর জমি বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে। ১৩ হাজার ৩৩ একর লিজ দেয়া আছে। অব্যবহৃত পড়ে আছে ১৩ হাজার ৪শ ১৩ একর। এই অব্যবহৃত জমির প্রায় সবই অবৈধ দখলে চলে গেছে। কেবলমাত্র রেল কর্তৃপক্ষের খাতা পত্রের হিসেবে রয়েছে ৪ হাজার ৬শ ৩৬ একর জমির হিসাব। যা তাদের মতে অবৈধ দখলে। এই ৪ হাজার ৬শ ৩৬ একরের মধ্যে ১ হজার ২শ ৫৫ একর দখল করেছে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ৩ হাজার ৩শ ৮১ একর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের দখলে। এই অবৈধ দখল চলছে প্রায় ৬০-৭০ বছর ধরে। হিসাব থেকে জানা গেল রেলের মোট জমির ৫৪ ভাগ এখন অবৈধ দখলদারদের কবলে। এর মধ্যে পশ্চিমাঞ্চল রেলের জমিই সবচেয়ে বেশি।
এর পরেও খবর আছে একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবর মতে, রেলের ১ হাজার ৮শ ৭১ একর জমির কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। যার বাজার মূল্য কয়েক হাজার কোটি টাকা। এখানে উল্লেখ্য, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে বাংলাদেশ রেলওয়ের জমির পরিমানই সবচেয়ে বেশি। ২০০১ সালে রেলের জমি সার্ভে করা হয়। রেলের সঠিক জমি কত তা নিরূপণ করার কাজটি আগে করা দরকার, এর পর তা উদ্ধারের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া।
তবে মনে রাখতে হবে, অবৈধ দখলদাররা সহজে জমির দখল ছাড়বে না। জমির ভূয়া বা জাল দলিল তৈরি করে আদালতের আশ্রয় নিবে তারা। রেলের কর্তাদের গাভ্লতি এবং অনৈতিক কর্মকান্ডের কারণে জমি দখলে নেয়াও কষ্টকর হবে। কারণ আদালতে এক তরফা রায় হয়ে যাবে। যদি রেলের পক্ষ থেকে নথি-পত্র যথা সময়ে আদালতে উপস্থাপন করা না হয়। কোন অবৈধ দখলদার যদি আদালতের রায় পান তা হলে তিনি পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নিবেন এবং বছরের পর বছর মামলা চলবে (রেলের জমি দখলে রেখে অবৈধ দখলদাররা এমন মামলা করে চলেছেন বছরের পর বছর, যার উদহরণ বা দৃষ্টান্ত রেল কর্তৃপক্ষেরও জানা আছে।)। জমি থাকবে অবৈধ দখলদারের দখলে। সব কিছু মাথায় রেখে আট-ঘাট বেধে জমি উদ্ধারে নামতে হবে রেল কর্তৃপক্ষকে। এর জন্য দরকার সৎ ও দক্ষ মন্ত্রী, সচিবসহ, জেনারেল ম্যানেজারসহ স্টেট ডিপার্টমেন্ট।
আমরা দেশবাসী ধারণা করেছিলাম যেহেতু সরকার স্বাধীনতার আগের সময়ের সরকারের মতো রেলকে আলাদা মন্ত্রণালয় করেছে তাহলে এবার আলাদা রেল বাজেট পাবো। না, তা হয়নি। বরং উল্টো খবরের কাগজে পড়তে হলো চালক সংকটের কারণে সান্তাহার-পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট রুটে চলাচলকারী চারটি যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর। গত ১৪ জুন থেকে ১৯ নং আপ ট্রেন এং ২০ নং ডাউন দুটি মেইল ট্রেন এবং ১৬ জুন থেকে ৭ নং আপ ও ৮ নং ডাউন ট্রেনের চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ১৯ নং আপ মেইল ট্রেন সান্তাহার-বগুড়া-বানারপাড়া-লালমনিরহাট পর্যন্ত যাতায়াত করতো। ৭ নং আপ এবং ৮ নং ডাউন ট্রেনটি চলতো পঞ্চগড়-বগুড়া-বোনারপাড়া হয়ে শান্তাহার রুটে। বোনারপাড়া সেকশনে ১৮ জন লোকোমোটিফ মাস্টার বা চালক-এর স্থলে এখন আছেন মাত্র ৪ জন। চালক না থাকায় ট্রেন বন্ধ। অথচ এব ব্যাপারে এ পর্যন্ত রেল মন্ত্রণালয় থেকে কোন বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়নি। এলাকার যাত্রীরা সরকারকে দুষছেন। তারা যেহেতু ঈদের সময় যাতায়াত করতে পরবেন না এবং এখন সহজ পথে যাতায়াত করতে পারছেন না তাই ক্ষুব্ধ।
পশ্চিমাঞ্চল রেলের অত্যাবশ্যকীয় অপারেটিং কর্মচারিসহ বিভিন্ন বিভাগে লোকবল অভাবে ৯২টি স্টেশন বন্ধ হয়ে গেছে। আরও ৫৮টি স্টেশন বন্ধের পথে। পশ্চিমাঞ্চল রেলের মোট স্টেশন ২৩১টি। এর মধ্যে বন্ধ ৫৩টি পাকশী বিভাগের এবং ৩৯টি লালমনিরহাট বিভাগের। জরুরী ভিত্তিতে স্টেশন মাস্টার, পয়েন্টম্যান, গেট কিপারসহ বিভিন্ন বিভাগে কর্মচারি নিয়োগ করতে হবে। সৈয়দপুরস্থ রেল ওয়ার্কশপে লোকবল এবং লেদ মেশিনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংকট নিরসনের কোন উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
খুলনা থেকে পঞ্চগড় এবং শান্তাহার থেকে লালমনিরহাট-কুড়িগ্রাম হয়ে বোনারপাড়া পর্যন্ত রেল লাইন দ্রুত ডাবল করা জরুরী। এসব করতে যদি ২০ বছর লাগে তা হলে তো হবে না। তখন তো দেশের জনসংখ্যাও বাড়বে। সেসব পরিকল্পনার মধ্যে আছে তো? যতদ্রুত সম্ভব রেল লাইন ডাবল করা অতিব জরুরী। দ্রুত লোকবল বাড়াতে হবে এবং তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে ট্রেন উল্টো পথে চলবে, অথবা সিগনাল ছাড়াই চলে যাবে সামনের দিকে বা রেলগাড়ি উঠে পড়বে স্টেশনের প্লাটফর্মে। এমন ঘটনা তো মাঝে মধ্যেই ঘটছে।
রেলের বগি বাড়াতে হবে। বাড়াতে হবে ওয়াগন সংখ্যা। আপ-ডাউন দুটি লাইন হলে ট্রেন চলাচল সহজতর হবে। পার্শ¦বর্তী দেশ ভরতে রেল চলে বিদ্যুৎ শক্তিতে। আমরা সেটি করতে পারি। কারণ দেশে তো বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে। তাতে পরিবেশ এবং আর্থিক দুটিরই উন্নতি হবে।
রেলের দুর্নীতি নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়। কারণ ‘চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী’। এদেশে এক শ্রেণীর মানুষরূপী বাটপার আছে যারা সরকারি সম্পত্তিটাকে নিজের মনে করে। গত মাসে ঈশ্বরদী থেকে দিনাজপুর যাওয়া ও ফেরার পথে এবং যশোর থেকে ঈশ্বরদী যাতায়াতের সময় রেলের কর্মচারিদের যে আচরণ এবং কারবার দেখলাম তাতে অবাক হতেই হলো। প্রায় ৩০ শতাংশ যাত্রীর টিকিট নেই। টিটি এবং ট্রেনের পরিচালক টিকিট চেক করার নামে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছেন। টিকিট যার নেই তার কাছ থেকে বিনা রশিদে টাকা নিয়ে দিব্বি পকেটে রাখছেন। সঠিক পোশাকও পড়েন না টিটি কিংবা পরিচালকগণ। নাই তাদের নামের ব্যানারটিও। আমার পাশের এক যাত্রী যিনি যশোর থেকে উঠে রাজশাহী যাচ্ছিলেন তিনি ট্রেনের পরিচালকের হাতে এক’শ টাকা দিয়ে বললেন আমি প্রতি সপ্তাহেই তো যাই। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম তার পেশা কি? বললেন, ‘আমি ব্যবসা করি, এভাবেই এক’শ টাকা দিয়ে যাতায়াত করি। টিকিট না কেটে।’ এভাবে কেন যাতায়াত করেন এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন এভাবে বিনা টিকিটে যাতায়াত করলে ওরা (রেলের টিটি, পরিচালক) খুঁশি হয়। তার কথায় বেশ ক’জন যাত্রী বিরক্ত হলেন, ক’জন আবার মুচকি হাসলেন! দিনাজপুর থেকে দ্রুতযান ট্রেনে ঈশ্বরদী ফেরার পথে দেখলাম ট্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত খাবার গাড়িতে প্রায় ৩০জন যাত্রী। সকলের জন্য বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্লাস্টিকের টুল এবং চেয়ার। ওরা সকলেই বিনা টিকিটে ঢাকার যাত্রী। অল্প টাকায় (প্রকৃত ভাড়ার চেয়ে কমে) যাত্রীরা রেলের খাবার গাড়িতে এভাবে যাতায়াত করে থাকে। এটি নাকি রেলের খাবার গাড়ির ঠিকাদারের বড় আয়ের উৎস্য। কারণ রেলের খাবার মান ভালো না হেতু বিক্রি কম। তাই ঠিকাদারের বড় আয় এই টাকা।
মজার তথ্য হলো : এর জন্য উপহার হিসেবে, খাবার গাড়ির ঠিকাদার নিজেদের কর্মচারিদের সঙ্গে রেলে কর্তব্যরত স্টাফদের বিনা পয়সায় খাবার সরবরাহ করেন। কি সুন্দর বোঝাপড়া! এভাবে কতদিন চলবে?
হাবিবুর রহমান স্বপন: পাবনার জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, কলাম লেখক।




Leave a Reply