বাংলাদেশের বিদেশগামী কর্মীদের আগ্রহের দেশ মালয়েশিয়ায় নতুন করে বেসরকারি পর্যায় জনশক্তি রফতানির মাধ্যমে যাওয়াদের বেতন হবে ৯০০ রিংগিত (বাংলাদেশি টাকায় আঠারো হাজার টাকার কিছু বেশি)। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বুধবার ৮ জুলাই এই তথ্য জানান। তিনি বলেছেন, জি টু জি’র (সরকারি পর্যায়ের) মতই বি টু বিতে (বিজনেস টু বিজনেস) মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো হবে। তাদের ন্যূনতম মাসিক বেতন হবে ৯০০ রিঙ্গিত বা সাড়ে আঠার হাজার টাকা। এদের ডাটাবেইজ থেকেই নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসীকল্যাণ ভবনে নিজ কক্ষে বুধবার বেলা ১২টার দিকে সাংবাদিকদের প্রশ্নর জবাবে তিনি এ সব কথা বলেন।
খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, পাসপোর্টসহ অভ্যন্তরীণ খরচ বাদে সব খরচই বহন করবে মালয়েশিয়ার নিয়োগ কর্তা। কর্মীদের মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে আমাদের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো। তবে, তারা কর্মীদের কাছ থেকে কোনো টাকা নিতে পারবে না। প্রতি কর্মীর পেছনে নিয়োগ কর্তার কাছ থেকে তারা নির্ধারিত হারে কমিশন পাবে।
৭ জুলাই একটি অনুষ্ঠানে মালয়েশিয়ার স্পেশাল কমিটি অব বার কাউন্সিলের সদস্য ও মাইগ্রেন্টস, রিফিউজিস এ্যান্ড ইমিগ্রেশন এ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারপারসন দাতো এম রামাচেভলান বলেছেন, দেশটিতে শ্রমিক নিয়োগ দেওয়ার মতো কর্ম খালি নেই।
এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, আমরা তো সে দেশের সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাই তো আমাদের কাছে চাহিদা দিয়েছে।
সম্প্রতি প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর নেতৃত্বে ৭ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মালয়েশিয়া সফর করে এসেছেন। ওই সফরের সময় মালয়েশিয়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকে জানায়- তিন বছরের মধ্যে মালয়েশিয়া বাংলাদেশ থেকে ১৫ লাখ কর্মী নেবে। এর মধ্যে চলতি বছরের বাকি ৬ মাসেই ৫ লাখ কর্মী যাবে দেশটিতে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply