ভারতের মুম্বাই বিস্ফোরণে ২৫৭ জনকে হত্যার অন্যতম দায়ী ইয়াকুব মেমনের ফাঁসি হতে পারে ৩০ জুলাই। কিন্তু, ফাঁসুড়ে খুঁজে পাচ্ছে না নাগপুর সেন্ট্রাল জেল৷ ২১ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে মেমনের প্রাণভিক্ষার আর্জি খারিজ হলেই শুরু হবে ফাঁসির প্রস্তুতি৷ মহারাষ্ট্র সরকারও চাইছে না আর দেরি করতে৷ কিন্তু ফাঁসুড়ে (জল্লাদ) পাওয়া যাচ্ছে না৷
নাগপুর জেলে শেষ ফাঁসি হয়েছিল ১৯৮৪ সালে৷ নাগপুর এবং ইয়েরওয়াড়া, কোনও জেলেই এখন ফাঁসুড়ে নেই৷ যদিও নাগপুর জেলের সুপার যোগেশ দেশাই জানিয়েছেন, দুটি উপায় রয়েছে৷ এক, মহারাষ্ট্রের কোনও অবসর নেওয়া জল্লাদকে ডেকে আনা, যা করা হয়েছিল আজমল কাসবের ফাঁসির বেলায়৷ দ্বিতীয় উপায়, মধ্যপ্রদেশ থেকে জল্লাদ চেয়ে আনা৷ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তর৷
১৩ জুলাই ইয়াকুব মেমনের ফাঁসির আদেশ হয়েছিল৷ নিয়ম অনুযায়ী, ফাঁসির ১৫ দিন আগে দণ্ডিতের আত্মীয়-পরিজনকে ফাঁসির কথা জানাতে হয়৷
মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা মেনেই কাজ করছে সরকার৷ দক্ষিণ মুম্বইয়ে মেমনের পরিবারকে খবর দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দপ্তর৷ আপাতত অপেক্ষা, ২১ জুলাই আদালত কী রায় দেয়৷
১৯৯৩ সালে মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণে দাউদ ইব্রাহিমের নির্দেশে অর্থ জুগিয়েছিল ইয়াকুব মেমন৷ মুম্বই শেয়ার বাজার-সহ মোট ১৩টি জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল৷ মারা গিয়েছিলেন ২৫৭ জন, আহত হয়েছিলেন ৭০০-রও বেশি৷
ঘটনায় ইয়াকুবকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দেয় টাডা আদালত৷ রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল মেমন, সেটি আগেই নাকচ হয়েছে৷
নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply