বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ এরইমধ্যে টেকনাফ-সেন্টমার্টিনে আঘাত হেনে ক্রমশঃ দুর্বল হয়ে উত্তর পূর্বদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এখন চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
আবহাওয়া দফতরের বিশেষ বুলেটিন নং ১৪-এ চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার ৭ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঘূর্ণিঝড় পূর্বাভাস কেন্দ্রের কর্মকর্তা নিলুফার জাহান।
তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড়টি বৃহস্পতিবার বিকেল নাগাদ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর অতিক্রম করতে পারে। এসময় স্বাভাবিক জোয়ারের চাইতে তিন থেকে পাঁচ ফুট পানি উপকূল প্লাবিত হতে পারে। একারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে বলা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে তাদের।’
এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ অ্যালার্ট-৩ জারি করেছেন। বহিঃনোঙ্গরে অবস্থানরত জাহাজগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ বিমান শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে বিমান সরিয়ে নিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।
তিনি জানান, উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং কিছু থাকলেও তাদের সরিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সীতাকুণ্ড ও আনোয়ারা উপজেলার এ তিন উপজেলার উপকূলীয় এলাকার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।



Leave a Reply