বায়ান্ন’র বাংলাদেশ হারেনি, উনসত্তরের বাংলাদেশ হারেনি, একাত্তরের বাংলাদেশ হারেনি, নব্বই এর বাংলাদেশ হারেনি। হেরেছিল ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট। জাতির জনককে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি জাতির স্বপ্নকে হত্যা করে অন্ধকারের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। ঘাতক চক্রের বুলেটের ভয় পুরো জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ভয়, আতংকে প্রতিবাদ করার সাহসও হারিয়ে ফেলেছিলেন রাজনৈতিক নেতা, ছাত্র নেতা বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃস্থানীয়রাও। খুব ছোট করে ছাত্র ইউনিয়নের একটা মিছিলই ছিল ঢাকায় একমাত্র প্রতিবাদ।
প্রতিবাদহীনতার সেই সুযোগে অবিশ্বাস্য অপপ্রচার চালিয়ে বঙ্গবন্ধুর চরিত্র হননের চেষ্টায় মরিয়া হয়েছিল খুনী আর তাদের পৃষ্ঠপোষকরা। তাদের সেই প্রচেষ্টা আজও শেষ হয়নি। নব্বইতে স্বৈরাচার পতনের মধ্য দিয়ে নতুন সূর্য ওঠার কথা ছিল, কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনীচত্রের মিত্রদের ভয়াবহ অপপ্রচার যেন পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহন হয়ে ভোরের শুরুতেই দিনের আলো নিভিয়ে দেয়। ৭৫ এর খুনীদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক শক্তিই আবার ক্ষমতায় আসে। আবারও অন্ধকারে ঠিকানায় জাতির যাত্রা। এরপর মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসেছে ঠিকই। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে ঘনীভূত সেই আাঁধার আজও কাটেনি। সেই অন্ধকারের অপশক্তির নৃশংস থাবায় ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মনে হয় আরও একবার হেরে যাচ্ছে!
উগ্র সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতার বিষবাষ্প ছড়ানো অশুভ শক্তির কাছে খুব বেশী অসহায় মনে হচ্ছে আজকের বাংলাদেশকে। একের পর এক মুক্ত চিন্তার লেখক, ব্লগাররা খুন হচ্ছেন। রাস্তায়, বই মেলায় এমনকি ঘরে ঢুকে পৈশাচিক উল্লাসে খুন করে বুক ফুলিয়ে চলে যাচ্ছে খুনীরা। অথচ চারদিকে কেমন অদ্ভুত নিরবতা! যে মুখগুলোকে সব সময় সরব দেখি নানা অন্যায়ের প্রতিবাদে, তাদের অবয়ব জুড়ে কেমন যেন আতংকের ছাপ, কেউ কেউ কথা বলছেন গলা নীচু করে, কেউ গলা তুলছেন সাবধানে, বেশীরভাগই একদম নিশ্চুপ! আমার একজন সহকর্মী বলছিলেন, তিনি ব্লগ লেখেন না, প্রকাশ্যে প্রতিবাদীও নন, এমনকি অপরাধের এ বিষয়গুলো নিয়ে রিপোর্টও করেন না। তারপরও আতংক তাকে পিছু ছাড়ছে না। যে দেশে একের পর এক রাস্তায়, ঘরে কুপিয়ে হত্যা করে খুনীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়, সে দেশে কার জীবনের নিরাপত্তা আছে?
স্বাধীন মানচিত্র পাওয়ার আগে থেকেই বাংলাদেশকে লড়তে হয়েছে বিকৃতমনস্ক ধর্মান্ধ উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে। নষ্ট চিন্তার পাকিস্তানী ঔপনিবেশিক শাসকদের শোষণের মূল অস্ত্রই ছিল সাম্প্রদায়িকতা। এ কারনে ধর্মীয় সরল বিশ্বাসকে ধর্ম উন্মাদনায় রূপ দিয়ে বাঙালীর স্বাধীনতার সংগ্রামকে দমনের চেষ্টা হয়েছে। শাসকরা উনসত্তর, একাত্তরেও মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে নাস্তিকতার ধূয়া তুলেছিল। সেই ধূয়ার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আজকের ২০১৫ সালের বাংলাদেশের মানুষও। তরুন প্রজন্মের যে অংশ একাত্তরের ভয়ংকর ঘাতকদের বিচারের দাবিতে রাজপথে লাখো জনতার সমাবেশে অগ্রণী ভূমিকায় ছিল বেছে বেছে তাদেরকে শেষ করে দিচ্ছে একাত্তরের সেই ঘাতকদের অর্থে প্রতিপালিত পিশাচ, খুনীরা। পাশাপাশি যারা বিজ্ঞান চর্চা এবং লেখার মাধ্যমে বিজ্ঞান মনস্ক আলোকিত আগামী প্রজন্ম তৈরি ব্রত নিয়ে কাজ করছেন তাদেরকেও চাপাতির টার্গেট করা হচ্ছে।
এই তরুনদের সেই পুরনো কায়দায় ‘নাস্তিক’ অপবাদ দিয়ে খুনের বৈধতা আদায়ের ‘পাকিস্তানী কৌশল’ নিয়েছে খুনীরা। দুর্ভাগ্য হচ্ছে,
আজকের বাংলাদেশের অনেক শিক্ষিতও মানুষও খুনীদের অপপ্রচারকেই সমর্থন করছে। নিয়মিত বিরতিতে এক একজন তরুনের রক্তে ভাসছে দেশ, অথচ সবাই নির্বিকার! এই নিরবতার মধ্য দিয়ে সবাই কি ‘নাস্তিক হত্যার’ পূণ্যের ভাগীদার হওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন?
একটা সময়ে এই দেশে মৌলবাদী, ধর্মান্ধ শক্তির আস্ফালন, অত্যাচার, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক কর্মী, লেখক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীরাই এগিয়ে থেকেছেন। শ্রদ্ধেয় কবি শামসুর রাহমান, কবীর চৗধুরী, বিচারপতি কেএম সোবহান সহ অনেক আলোকিত মানুষ রাজপথে নেমে মৌলবাদী তান্ডবের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছেন যখন সেই ধর্মান্ধ রাজনীতির পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় ছিল,তখনও। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিরোধে মাথা নত করেছে উগ্র সাম্প্রদায়িক রক্ত চক্ষু, জাতীয় কবিতা উৎসব পরিণত হয়েছে দৃঢ় প্রতিরোধের মঞ্চে, কাঁপিয়ে দিয়েছে স্বৈরাচারের মসনদ।
আজ যখন তরুন প্রজন্মের উপর অন্ধকারের হায়েনাদের ভয়ংকর আঘাতে রক্তাক্ত জনপদ তখন আজকের লেখক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবীরা অনেকটাই নিশ্চুপ। আজকের শ্রদ্ধেয় লেখকদের কাউকে কাউকে ব্যক্তি বিশেষের পক্ষে ভোটের রাজনীতিতে ব্যাপক সক্রিয় দেখা যায়, কিন্তু অন্যায়, অনাচার, মৌলবাদী শক্তির ভয়াবহ নৃশংসতার বিরুদ্ধে তাদের কন্ঠস্বর শোনা যায় না। তবে আজ মৌলবাদী চাপাতির নৃশংতার আংতকের কাছে জাতির এই সূর্য সন্তনরাও অহসায় আত্ম সমর্পণ করে বসে আছেন! তাদের আত্মসমর্পণ মানে জাতির হেরে যাওয়ার আশংকাও তীব্র হওয়া।
পুলিশের মহাপরিদর্শকও সংবাদ সম্মেলন করে সেই তরুন ব্লগারদেরই দায়ী করেছেন আর মৃদু ভাষায় খুনীদের তিরস্কার করে দায়িত্ব সেরেছেন! আমরা জানি প্রতিবাদ বন্ধ করতে পুলিশ অতীতেও ভিকটিম পক্ষকে চাপে রাখার নানা কৌশল নিয়েছে। যেমন ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার পর তখনকার বিএনপি-জামায়াত সরকার ও পুলিশ নানা অপপ্রচার চালিয়ে আওয়ামীলীগকে চাপে রেখে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ স্তব্ধ করতে চেয়েছিল। আজও পুলিশ সেই কৌশলই অবলম্বন করছে। আইনের ভয় দেখিয়ে মুক্তমনা ব্লগার হত্যকান্ডের বিরুদ্ধে যতটুকু প্রতিবাদ আছে তাও স্তব্ধ করতে চাচ্ছে পুলিশ!
কারন এখন পর্যন্ত পুলিশ পাঁচ জন ব্লগার হত্যাকান্ড শুধু নয়, একই ধরনের হত্যাকান্ডের শিকার মওলানা ফারুকী এবং পুরনো ঢাকার একজন পীর হত্যাকান্ডের কোন কিনারাই করতে পারেনি। হত্যকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শেষ পর্যন্ত পুলিশের নিদারুন ব্যর্থতার বিরুদ্ধেই যাবে, যে কারনে প্রতিবাদ বন্ধ করতে পুলিশের আগে ভাগে সতর্ক অবস্থান! জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণে থাকার দাবি করা হলেও একের পর এক খুন আর জঙ্গী সংগঠনের দায় স্বীকার আর ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকা কি জঙ্গীবাদ নিয়ন্ত্রণ প্রমাণ করে? কয়টা মামলার পরিসংখ্যাণ দিয়ে সব দায় শেষ করা যায়?
পুলিশ প্রধান সংবাদ সম্মেলনে যেমন বলেছেন, আরও অনেককেই বলতে শুনি, ধর্মের বিরুদ্ধে এভাবে লিখলে ধার্মিক যে কেউ মাথা গরম করে একটা কিছু করতেই পারে, এই লেখালেখি’র একটা সীমা থাকা দরকার! কেউ যদি গালিগালাজ করে সেটা অগ্রহনযোগ্য, কিন্তু কেউ যদি পরিশীলিত যুক্তি কিংবা কৌতুকের মাধ্যমে কিছু উপস্থাপন করে, সেটাকে কোন সীমারেখায় দোষের বলা হবে? ড.অভিজিৎ রায়, অনন্ত বিজয় দাশ, নিলয় নীল কেউ তো গালিগালাজ করেননি। কেউ যুক্তিবোধ, কেউ কৌতুকের মধ্য দিয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন। তাদের খুন করা হল কেন? যদি কেউ গালিও দেয়, তাহলেও কি খুনের প্রশ্ন আসবে? যুক্তি দিয়েই কি প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়? খুনীরা একটা বিষয় প্রমাণ করে দিয়েছে কউ ধর্মের প্রচলিত বিশ্বাসের বিপরীতে লিখলে তার বিরুদ্ধে ধার্মিকদের যুক্তি নিয়ে দাঁড়ানোর সক্ষমতা নেই। যুক্তিতে হেরে গিয়েই গিয়ে কাপুরুষের মত রক্তে প্রতিশোধ!
১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসে বাঙালীর বিজয়ের পূর্ব মুহুর্তে আল বদর, আল শামসের ব্যানারে জামায়াতের নেতারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা শুরু করেছিলেন। জাতির সূর্য সন্তানদের লাশের ভারে শোকে পাথর হয়ে গিয়েছিল রায়ের বাজার, মিরপুরের বধ্যভূমি। স্বাধীন বাংলাদেশে অধ্যাপক হুমায়ূন আজাদের উপর হামলার মধ্য দিয়ে লেখক, বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ধারা শুরু হয়। হুমায়ূন আজাদ সেই হামলার গভীর ক্ষত সারিয়ে উঠতে পারেননি, কিছুদিন জীবনের সঙ্গে লড়াই করে বিদায় নিয়েছেন। হায়রে অভাগা জাতি! সেই হুমায়ূন আজাদের উপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি, বিচারও হয়নি। সেদিন ধর্মান্ধ রাজনৈতিক শক্তির প্রধান স্তম্ভ বিএনপি-জামায়াত সরকার ক্ষমতায় ছিল, সেই সরকার বিচার করবে না এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তারপর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সরকার ক্ষমতায় এসেও কি হামলাকারীদের ধরার ব্যাপারে সত্যিই উদ্যোগী হয়েছে? ওই হামলাকারী এবং তাদের পৃষ্ঠপোষকদের মুখোশ উন্মোচন করলে হয়ত আজ ধারাবাহিকভাবে এতগুলো খুন দেখতে হত না দেশের মানুষকে।
ব্লগারদরে খুনরে ঘোষণা প্রথম দিয়েছেলি হেফাজতে। যখন যুদ্ধাপরাধীদরে সর্বোচ্চ বিচারের দাবিতে ব্লগার এবং অনলাইন অ্যাকটভিস্টিদরে আহবানে গণজাগরণ মঞ্চ বিপুল জনসর্মথন তৈরি করল ঠিক তখনই হেফাজতে ইসলামের জন্ম। অর্থাৎ বিচারের দাবির বিপরীতে যুদ্ধাপরাধীদরে রক্ষার জন্যই হেফাজতের জন্ম। র্শীষ যুদ্ধাপরাধীদরে সংগঠন জামায়াতে ইসলাম একটা র্পযায়ে রাজনতৈকি কূটচালরে মাধ্যমে অন্তত, ফাসীর দড়রি হাত থেকে তাদের নেতাদের রক্ষার একটা আয়োজন করে ফেলেছিল বলে জোরালো সন্দহে থকেইে গণজাগরণ মঞ্চের উত্থান।
যখন জনতার বিপুল গণজাগরণে জাময়াতের সব ষড়যন্ত্র র্ব্যথ হয়, জামায়াত দেশে-বিদেশে চরমভাবে গ্রহনযোগ্যতা হারায়, তখন জামায়াতের নামটি আংশকি পরর্বিতণ করে হেফাজত গঠন করা হয়। এখানে কৌশল হিসেবে জামায়াতের দৃশ্যত বিরোধিতা করা কওমী পন্থী নেতাদের ব্যবহার করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন জামায়াত মুক্তিযোদ্ধাদের নাস্তিক বলত, ঠিক হেফাজত নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধাদের নাস্তিক বলতে শুরু করল। খুব স্পষ্ট যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য আবারও সস্তা ধর্মীয় সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করা হল।
এখান থেকেই শুরু। জাফর মুন্সী, রাজীব হায়দার, ওয়াশিকুর বাবু, ড. অভিজিৎ রায়, অনন্ত বিজয় দাশ, সর্বশেষ নিলয় বলি হল ধর্মান্ধ শক্তির চাপিাতির। এখন কি আমরা বলতে পারি না, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রতিশোধ নিতেই একের পর এক খুন করা হচ্ছে ধর্মের নামে? ওয়াশিকুর বাবু খুন হওয়ার পর সাধারন মানুষের হাতে ধরা পড়া খুনীদের পরিচয় পাওয়া গিয়েছিল, তাদের একজন সরাসরি হেফাজতের গুরু মওলানা আহমদ শফির হাট হাজারী মাদ্রাসার ছাত্র, অন্য জন হাট হাজারীপন্থী মিরপুরের একটি মাদ্রসার ছাত্র। নিলয় হত্যার পর হত্যার দায় স্বীকার করে যে ই-মেইল বার্তাটি এসেছে, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে এসেছে, সেটি আপলোডের স্থান চট্টগ্রাম। এ জন্যই প্রশ্ন ওঠে, হেফাজত-জামায়াতকে সন্দেহের বাইরে রেখে খুনীদের ধরা কি আসলেই সম্ভব?
জামায়াত অগ্রহনযোগ্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হেফাজতের আচমকা উত্থানে বোঝা যায়, জামায়াত ও হেফাজতের অর্থদাতা প্রভুরা একই, যে প্রভুদের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে উগ্র সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মের নামে সন্ত্রাস জিইয়ে রাখা। ব্লগারদের খুনে মাদ্রাসা ছাত্রদের ব্যবহার করা হতে পারে, কিন্তু এর পরিকল্পনা, ব্যয় নির্বাহ তথাকথিত শিক্ষিত নয় নরপশুরাই করছেন বলেই অনুমিত হয়, যারা জামায়াত, হেফাজত, হিযবুত তাহরীর সহ নানা নামে ধর্মান্ধ গোষ্ঠি লালন-পালন করছে দীর্ঘ সময় ধরে। এই অপশক্তিকে রুখে দেয়ার শক্তি কি আজকরে বাংলাদেশের নাই!
তাহলে কি আজ নৃশংস খুনী আর তাদের পৃষ্ঠপোষকদের কাছে ত্রিশ লাখ শহীদরে রক্তে ভেজা বাংলাদেশ হেরে যাবে চাপাতির আতংকে?
লেখক, বিশেষ প্রতিনিধি, সমকাল ।




Leave a Reply