বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

বিএফইউজে-ডিইউজে’র একাংশের নামে গাড়ি ভাঙচুরের মামলা: ক্ষোভ

bfuj_DUJবাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নকে (ডিইউজে) জড়িয়ে গাড়ি ভাঙচুরের মামলার ঘটনায় নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা। তারা এ মামলাকে ষড়যন্ত্রমূলক বলে দাবি করেছেন।
বিএফইউজের (একাংশ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আবদুল্লাহ ও মহাসচিব এম এ আজিজ এবং ডিইউজের (একাংশ) সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান শুক্রবার এ বিষয়ে একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন।

গণমাধ্যমে পাঠানো এ বিবৃতিতে বলা হয়, সাংবাদিক সমাজের শীর্ষ সংগঠন বিএফইউজের সভাপতি ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। এ সব ঘটনাসহ বন্ধ মিডিয়া খুলে দেওয়া এবং আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তিসহ ন্যায়সঙ্গত বিভিন্ন দাবিতে সাংবাদিক সমাজ দীর্ঘদিন ধরে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী ২৯ আগস্ট পুলিশের উপস্থিতিতে বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতাকর্মীরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত ও শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন। সেদিন মিছিলের কোনো কর্মসূচিন ছিল না, হয়নিও। অথচ এর পাঁচদিন পর ২ সেপ্টেম্বর শাহবাগ থানায় একটি মামলা (মামলা নম্বর ৩/২-৯-১৫) হয়েছে বলে জানা যায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে— ২৯ আগস্ট বিএফইউজে ও ডিইউজের মিছিল থেকে বাসে হামলা, ভাঙচুর, চালকের কাছ থেকে টাকা লুট এবং পুলিশকে আহত করা হয়েছে।

সাংবাদিক নেতারা বলেন, ২৯ আগস্ট প্রেস ক্লাবের সামনে কোনো মিছিল বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে কিনা তা আমাদের জানা নেই। কোনো গণমাধ্যমেও তেমন খবর দেখা যায়নি। কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তার সঙ্গে সাংবাদিক ইউনিয়নের কর্মসূচির কোনো সম্পর্ক নেই। ঐতিহ্য অনুযায়ী সাংবাদিক সমাজ ধ্বংসাত্মক কোনো কর্মসূচি পালন করে না।

তারা আরও বলেন, রহস্যজনক কারণে পাঁচদিন পর সাংবাদিক ইউনিয়নকে জড়িয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়েরের ঘটনা বিস্ময়ের ও ন্যক্কারজনক। তারা অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আখ্যা দিয়ে এ মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো যাবে।’

আরও পড়ুন