কয়েকদিন পরই সোনালী ফসল আমন কৃষকের ঘরে উঠবে। কিন্তু ধান কাটার আগেই আমনের দাম নিয়ে শঙ্কিত দিনাজপুরের কৃষকরা। তাদের অভিযোগ, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও গত বোরো মৌসুমে ন্যায্য দাম পাননি তারা। এদিকে ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, সরকারের নির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় মাত্রাতিরিক্ত চাল আমদানির প্রভাব পড়েছে বাজারে।
অগ্রহায়ণ মাসের শুরুতেই আমন ধান কাটা মাড়ার উৎসব শুরু হবে দিনাজপুরে। কিন্তু বাজারে চাহিদাতিরিক্ত চালের সরবরাহ থাকায় কৃষকেরা ধানের দাম নিয়ে শঙ্কিত। সার, বীজ, কীটনাশক, সেচ, জ্বালানি ও মজুরি বেড়ে যাওয়ায় সার্বিকভাবে উৎপাদন খরচ গতবারের তুলনায় বেড়েছে। তাই লোকসান থেকে রক্ষা পেতে সরকারের প্রতি সরাসরি ধান কেনার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষকেরা।
এদিকে সরকারের সমালোচনা করে দিনাজপুর শিল্প ও বনিক সমিতির সভাপতি মোসাদ্দেক হোসেন জানান, কোনো নীতিমালা না থাকায় মাত্রাতিরিক্ত চাল আমদানির প্রভাব পড়েছে বাজারে। আর উপ পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মো. গোলাম মোস্তফা জানান, সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ফলে এবার ফলন ভাল হবে।
দিনাজপুরে এবার ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ হাজার ৫শ’ ৫৭ হেক্টর বেশি। আর উৎপাদন হবে ৬ লাখ ৭৮ হাজার মেট্রিক টন ধান।



Leave a Reply