বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

সুন্দরী নারী দেখলে পুরুষের মুখে লালা আসে

Model_for_2সুন্দরী নারীর সাথে কথা বলার সময় পুরুষের মুখের লালাগ্রন্থিতে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। মেয়েদের সাথে এমনকি সামান্যতম ছলাকলা করার সময়ও ছেলেদের লালা ঝরতে শুরু করে। এবং ছেলেরা মেয়েদের যত বেশি আকৃষ্ট এবং মুগ্ধ করার চেষ্টা করে তাদের লালার পরিমাণ তত বাড়তে থাকে!

ভ্রু কুঁচকাচ্ছেন? লাভ নেই। এই তথ্য আমাদের না। দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা নতুন একটি গবেষণা করে এই ফলাফল পেয়েছেন। তারা পুরুষের হরমোনের প্রতিক্রিয়ার উপরে এই পরীক্ষা করেন। এতে অংশ নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা। তাদেরকে অল্প সময়ের জন্য তরুণ ছেলে এবং মেয়েদের সাথে কথা বলতে দেয়া হয়।

অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেকেই বিশ-একুশ বছর বয়সি। পরীক্ষার আগে এবং পরে তাদের লালার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ফলাফলে দেখা যায়, সুন্দরী মেয়েদের সাথে মাত্র ৫ মিনিট কথা বলার পরই ছেলেদের লালা ক্ষরণের মাত্রা বেড়ে যায় উল্লেখযোগ্য হারে।

কিন্তু ছেলেরা যখন অন্য ছেলেদের সাথে কথা বলে তখন লালা ক্ষরণ হয় না। শুধু তাই না, মেয়েদের সাথে কথা বলার সময় ছেলেদের যে লালা ক্ষরণ হয় তাতে প্রচুর পরিমাণ পুরুষদের যৌন হরমোন টেসটসটেরনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

তবে সবচেয়ে মারাত্মক পরিবর্তন টের পাওয়া যায় যখন ছেলেরা মেয়েদের মুগ্ধ করার চেষ্টা করে। শিকাগোর ইন্সটিটিউট অব মাইন্ড এন্ড বায়োলজি বিভাগের বিশেষজ্ঞ ডক্টর জেমস রনি এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এটা বলবো না যে, মেয়ে দেখলে পুরুষরা লোল পড়তে শুরু করে, তবে তাদের লালা ক্ষরণে স্পষ্ট পরিবর্তন হয়। একটা নারীর সাথে কথা বলার সময় তাদের শরীরে টেসটসটেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। ব্যাপারটা ঘটে মস্তিষ্ক এবং লালাগ্রন্থির স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রমে।’

এই গবেষণাতে অংশগ্রহণকারীদের বিপরীত লিঙ্গের প্রতি জিজ্ঞাসাবাদ করে কুইজ নেয়া হয়। তারা কি ধরনের সঙ্গী পছন্দ করেন এবং আকর্ষণীয় মনে করেন সেটাই হচ্ছে কুইজের প্রশ্ন। মেয়েদেরকেও ছেলেদের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

তবে পরীক্ষায় যে মেয়েরা অংশ নিয়েছিল তারা কেউ সুপার মডেল ধরনের বা অতিসুন্দরি কেউ না। ফলে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ছেলেদের মুখে পানি আনানোর ক্ষমতা মেয়েদের রয়েছে। এই গবেষণার ফলাফলটি ইভোলুশান এন্ড হিউম্যান বিহেভিয়ার জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *