রাশেদা রওনক খান:
আমরা কি লক্ষ্য করছি, আমরা দিনকে দিন নিস্পৃহ হয়ে উঠছি আমাদের অধিকার আদায়ের ক্ষেত্রে, সমাজে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে? আমরা যতটাই ‘অ্যাক্টিভ’ হয়ে উঠছি ভার্চুয়াল জগতে, ততটাই ‘প্যাসিভ’ হয়ে পড়ছি বাস্তবতায়!
বাস্তব জগতে আমাদের এই নীরবতা, উদাসীনতা আমাদের নিজেদের জীবনকেই করে তুলবে একসময় বিপন্ন। এই নীরবতায় ফায়দা লুটছে একটি সুবিধাভোগী শ্রেণী। এই সুবিধাভোগী শ্রেণীকে এভাবে চলতে দিতে থাকলে একদিন সমাজ হবে বিপন্ন।
এই সমাজে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছেন যারা ব্যবসা করেন কেবল পুঁজি সঞ্চয়ের জন্য। মুনাফা বৃদ্ধি হতে হতে পাহাড় সমান হলেও তাদের চাহিদার শেষ হয় না। মার্কসের মূল্যতত্ত্ব পুঁজিবাদের এই চরম সময়ে এসে মিলে যায় শতভাগ, যেখানে তিনি বলেছেন, ‘সমাজের একটি সুবিধাভোগী শ্রেণী ক্রমাগতভাবে মুনাফা পুঞ্জীভূত করে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলে।’
কিন্তু এই সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলতে গিয়ে এই মুনাফালোভী শ্রেণী সমাজকে করছে বিপন্ন আর মানবতাকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ, সেটা কি তারা একবারের জন্যও ভেবে দেখছেন? এসব ভাবনা দিয়ে কি হবে, বরং আরও মুনাফা কিভাবে লাভ করা যায়, তাই তাদের জীবনের একমাত্র লক্ষ্য এবং অধিক মুনাফা লাভের আশায় নিজের দেশ, সমাজ, সংস্কৃতি, নিজস্বতা, ধর্ম, মানবতা সব কিছুকে বিসর্জন দিতেও তাদের বিবেকে বাধে না।
এতে যদি ধ্বংস হয়ে যায় সমাজের মূল্যবোধ, হারিয়ে যায় ইতিহাস-ঐতিহ্য, বিপন্ন হয় মানবতা- হউক না, তাতে তাদের কি আসে যায়!
১.
পায়ুপথে বাতাস দিয়ে মেরে ফেলেছে সাগর বর্মনকে! কতটা অমানবিক এবং মধ্যযুগীয় বর্বরতা! এই বর্বরতার শেষ কোথায়? অথচ আমরা পত্রিকার আর দশটি খবরের মতই স্বাভাবিকভাবে নিয়েছি এই সংবাদটি! আমরা আমাদের বিবেককে বিসর্জন দিয়েছি। এই নিয়ে আমাদের কথা নেই, দাবি নেই, রাগ নেই, দুঃখবোধ হয়ত আছে কিন্তু তা প্রকাশের ভাষা নেই!
রূপগঞ্জের জোবেদা টেক্সটাইলের মালিক মোজাম্মেল হক নাকি একজন লায়ন! আমরা দেখতে চাই, এই মালিক তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সাগরের পরিবার কে ৫০ লাখ টাকা দিতে পারে কিনা ক্ষতিপূরণ হিসেবে! যদিও সন্তানের মৃত্যু এই ৫০ লাখ টাকার কাছে কিছুই নয়, তারপরও এখন চাপের মুখে যদি ৫০ লাখ টাকা আদায় করে দেয়া যায়, তাতেই কিছটা সান্ত্বনা পাওয়া যেতে পারে। এর জন্য আমাদের বলতে হবে, আওয়াজ তুলতে হবে, আদায় করতে হবে!
মুনাফালোভী এইসব মানুষজনতো সাগরের মত শিশুদের অল্প বেতনে কাজ করিয়ে মুনাফার সাগরে ভেসে বেড়ান। আমরা সাধারণ মানুষ যদি এসব অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে না দাঁড়াই, তাহলে কিন্তু মুনাফালোভী এই গোষ্ঠীগুলো একের পর এক এভাবেই সাগরদের মেরে ফেলবে মধ্যযুগীয় বর্বরতায়!
২.
উত্তরার আলাউদ্দিন টাওয়ারের লিফট ছিঁড়ে আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে ২৫ জুন। সেই আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যায় মাহমুদ হাসান রিপন নামের একজন ইঞ্জিনিয়ার এবং তার সঙ্গে থাকা দুই সন্তান। রিপন মারা গেছেন হাসপাতালে নেবার পর। তার সাথে থাকা ছোট্ট মাইশা তার ছোট্ট কচি দুটি হাতে তার ৯ মাসের ভাইকে আঁকড়ে ধরে রেখেছিলো, যেন কিছুতেই সে হারিয়ে না ফেলে ভাইটিকে। কিছুটা পেরেও উঠেছিল, কিন্তু শেষ রক্ষা হলনা! দুই সন্তান মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে একসময় মৃত্যুর কাছে পরাজয় বরণ করে।
কিন্তু দূর্ঘটনা পেছনের কারণ কি তা নিয়ে আমরা কতদূর পর্যন্ত কথা বলেছি? কেন বলিনি? কেননা, আমাদের কাছে একটি মৃত্যু বা একটি ভয়ানক ঘটনা এখন নিছক একটি ঘটনা মাত্র। এর বেশি কিছু ভাবার আমাদের সময় নেই, প্রতিবাদ-লড়াই এসব তো অনেক দূরের সাহসী উচ্চারণ! অনুসন্ধান হতে জানা যায়, গত একবছর ধরে লিফটের ত্রুটি ধরা পড়লেও তা সংস্কারের কোনও উদ্যোগ নেয়নি মার্কেট কর্তৃপক্ষ।
দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, গতবছর একই ভবনের একটি লিফট এভাবে ছিঁড়ে পড়ার পরও যথাযথ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কর্তৃপক্ষ! কেন? সঠিক রক্ষণাবেক্ষনও নাকি হতো না এই ভবনের লিফটগুলোর, কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন? কিসের জন্য এতটা অবহেলা? মানুষের জীবনের মূল্য কি এতটাই কমে গেছে? মানুষের জীবনের কোনো মূল্যই নেই এই ধরনের ভবন মালিকদের কাছে? কি হবে এত ধন-সম্পদ থেকে, যদি মানবতা বোধই না থাকে ?
তবে এই ধরনের ভবনের মালিকদের ভাগ্য সুপ্রসন্ন বলতে হয়! বিদেশে হলে এতক্ষণে তাকে বা তাদেরকে যে পরিমান ক্ষতিপূরণ গুনতে হত, তারপর আর সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে পারতেন না এই জীবনে! বাংলাদেশ বলেই এই ধরনের মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা পার পেয়ে যান অতি সহজেই এইরকম জঘন্য অপরাধ করেও!
আহা কবে হবে সেই স্বপ্নের দেশ, যেখানে রাষ্ট্র দাঁড়াবে মাইশাদের পক্ষে আর শাস্তি নিশ্চিত হবে এই ধরনের মুনাফালোভী ভবনমালিকদের। আর কবে হবে এমন দেশের মানুষ যারা এমন মুনাফালোভী ব্যবসায়ী ভবনমালিকদের শাস্তি নিশ্চিত না করে ঘুমোতে যাবে না!
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর হতে জানা যায়, রাজউক নাকি জানিয়েছে মার্কেটটি ঝুঁকিপূর্ণ! দুর্ঘটনা ঘটে যাবার পর তো একটি ৫ বছরের শিশুও বলতে পারে, মার্কেটটি ঝুঁকিপূর্ণ! এতবড়ো একটি দুর্ঘটনা ঘটে যাবার আগে কোথায় ছিল রাজউক? প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বছর এই রোজার দিনে ভবনের একটি লিফট একইভাবে ছিঁড়ে পড়েছিল। কিন্তু তখন হতে মার্কেট কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি আর রাজউকও তাতে সায় দিয়ে চুপ করেছিল, কেন?
রাজউক এর তবে দায়িত্ব কি? গতবছর একইধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পরও সেই ভবনে কি করে এতদিন ত্রুটিপূর্ণ লিফট কার্যকর ছিল? সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক লিফট দুর্ঘটনা ঘটছে। এখন ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে বহুতল ভবন নির্মিত হচ্ছে। ফলে এই ধরনের দুর্ঘটনার হার বেড়ে চলছে! মাস কয়েক আগেই নিউ মার্কেট এর একটি ভবনের লিফট ছিঁড়ে পড়ার ফলে একজন মানুষ মারা গেছেন।
এই যে যত্র-তত্র ভবন নির্মাণের কাজ চলছে, তা আসলে কতটা মজবুত ভাবে বানানো হচ্ছে, লিফট কয়টা দরকার একটি ভবনে, আর মালিক কয়টি দিচ্ছেন এবং যেসব লিফট কতটা ব্যবহারের জন্য উপযোগী এবং এদের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যা হচ্ছে কিনা- এসবই দেখার দায়িত্ব রাজউকের হলেও আদৌ রাজউক তার দায়িত্ব পালন করছে কিনা, তার জন্য মনিটরিং সেল গঠণের প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
এক-দুজন অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফা লোভীদের কাছে মানবতার পরাজয় ঘটতে পারে কিন্তু রাষ্ট্রযন্ত্র এর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোতে যদি দায়িত্বহীনতা কিংবা অস্বচ্ছতা থাকে, তবে কিন্তু সেই রাষ্ট্রের নাগরিকেরা তাদের জীবনীশক্তিই হারিয়ে ফেলবে!
৩.
আমরা জঙ্গিবাদ, ইসলামিক স্টেট সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠির ভয়ানক কার্যক্রম নিয়ে সারাক্ষণ একটা অনিশ্চিত জীবন-যাপন করছি, সেটাও তো তৈরী একদল মুনাফালোভী সুবিধাবাদী দলের জন্য, যারা ইসলাম ধর্মের মত সবচেয়ে শান্তির ধর্মকে নিয়ে একধরনের ত্রাস তৈরী করছে।
কিন্তু এই নিয়ন্ত্রক সুবিধাভোগীগোষ্ঠী কি একবারও ভেবে দেখছেন, যেসব বাচ্চা ছেলেগুলোর মগজ ধোলাই করে এই ধরনের জঘন্য কাজে লিপ্ত করাচ্ছেন, তাদেরও একটা পরিবার ছিল, তাদের জীবনেও অনেক স্বপ্ন ছিল, তাদের অনেক মেধা ছিল, তাদের প্রেম-ভালোবাসার অধিকার ছিল, তাদের বেড়ে উঠার পেছনে মা-বাবার অক্লান্ত পরিশ্রম ছিল।
এই সকল মানবিক দিকগুলোকে পেছনে ফেলে কিসের লোভে এভাবে তাদের হাতে ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে মানবতাকে ধ্বংস করার নীল নকশা? দেশের কিশোর-যুবকদের অপরিপক্ক মননকে পুঁজি করে, ধর্মের নাম ব্যবহার করে এই সুবিধাভোগী একদল মানুষ সমাজকে করছে অসহায় আর তাতে বিপন্ন হচ্ছে মানবতা।
৪.
ধর্ম নিয়ে কেবল জঙ্গিরা খেলে, তা নয়! আমাদের সমাজে ধর্ম নিয়ে খেলে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও! রোজা শুরু হলেই দেখা যায়, একদল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পণ্য গুদামজাত করে রেখে দেন। অধিক মুনাফা অর্জনের পথ হিসেবে তাদের কাছে এটাই সবচেয়ে সুবিধাজনক পদ্ধতি, কিন্তু খুব সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এই ধরনের ব্যবসা যে হারাম সে বিষয়ে তাদের উন্নাসিকতা চোখে পড়ার মত।
অথচ এই ধরনের নিচু শ্রেণীর ব্যবসায়ীদের অনেকেই নাকি রোজার মাসে রোজাদারদের জন্য বড় বড় ইফতার পার্টির আয়োজন করেন! অবশ্য সাধারণ রোজাদারদের জীবন-জীবিকাকে জিম্মি করে নিজের সার্কেল এর রোজাদারদের জন্য ইফতার এর আয়োজন করা যেতেই পারে! এই ধরনের ইফতার আয়োজনের উদ্দেশ্য সওয়াব কামানো নয়, বরং পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্কটা মূলত ঝালিয়ে নেয়া!
হায়রে মানবতা, ধর্মভীরু এই দেশে রোজার মাসে ধর্মপ্রাণ মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাসকে পুঁজি করেই চলে এই ধরনের ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট! তাদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই কোথায়? কেন আমরাও তাদের ফাঁদে পা দিয়ে অত্যন্ত আরাম-আয়েশে পার করে দেই ত্রিশটি রোজা? পণ্যের দাম যাই হাঁকানো হউকনা কেন, আমরা সেসব পণ্যের গর্বিত ক্রেতা হয়ে একধরনের তৃপ্তির হাসি হেসে যাই, কেন?
৫.
শেষ করব নিজেদের মগজ ধোলাই প্রসঙ্গ নিয়ে! আমরা সারাক্ষণ বলছি, তরুণদের মগজ ধোলাই চলছে, এর মাধ্যমেই জঙ্গি হয়ে উঠছে আমাদের সমাজের উঠতি বয়সী তরুণেরা! কিন্তু আমাদের নাগরিক জীবনের মানুষজনের ভেতরের মগজটিও যে ধোলাই চলছে সারাক্ষণ তা কি আমরা দেখতে পাচ্ছি? এই ধোলাই জঙ্গিদের মত সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে লিপ্ত হবার জন্য উৎসাহ যোগায় না যদিও, কিন্তু মতাদর্শ, চিন্তা-ভাবনা,দেখার দৃষ্টিভঙ্গিকে মুহূর্তের মাঝে পাল্টে দিয়ে আমাদেরকে করছে বিভ্রান্ত !
একটা বিভ্রান্ত জাতিতে পরিণত হচ্ছি আমরা! ফলে আমরা কোনটা সঠিক আর কোনটা ষড়যন্ত্র তা বুঝতে পারছিনা! এই মুহূর্তে আমরা যা করছি, তাহলো পরস্পর পরস্পরকে অবিশ্বাস করছি, সারাক্ষণ পরস্পর পরস্পরকে দোষারোপ করছি। এতদিন এই দোষারোপের সংস্কৃতিটা ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর মাঝে, এখন তা নাগরিকজীবনের মনোজগতেও প্রবেশ করেছে। আবার এই দোষারোপের সংস্কৃতি যে কেবল আমাদের মতো আমজনতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছে, তা নয়, রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানেও দেখা যাচ্ছে।
জাতি হিসেবে আমরা এই মুহূর্তে একটা অস্বাভাবিক সময় পার করছি, যা কোনো ছকে ফেলা যাবে না। মুহূর্তেই ভাবছি পুলিশের ভূমিকা বেশ ভালো, আবার মুহূর্তেই ভাবছি পুলিশ যা কিছু করছে সবই নাটক-সিনেমা! লক্ষ্য করছি, মতাদর্শ কিংবা কোনো একটি ঘটনার বিচার-বিশ্লেষণে আমরা একটি অবস্থানে খুব বেশি সময় স্থির থাকছি না, মুহূর্তেই চিন্তার পরিবর্তন ঘটে আমাদের! বিশেষজ্ঞদের মতে, ৬-৮ সপ্তাহ সময় লাগে তরুণদের মগজ ধোলাই করে জঙ্গি বানাতে! আর আমাদেরকে বিভ্রান্ত করাতো দেখছি মুহূর্তের ব্যাপার!
আমরা কারো উপরই আস্থা রাখতে পারছি না! ফলে এই আস্থাহীনতার সুযোগ নিচ্ছে তৃতীয় পক্ষ! এই মুহূর্তে আমাদের এমন কোনো প্ল্যাটফর্ম নেই, যেখানে দাঁড়িয়ে জনগণ কথা বলতে পারে, দাবি জানাতে পারে। দিকনির্দেশনা দেওয়া তো দূরের কথা! কিন্তু কেন? ১৯৭১ সালে সেই প্ল্যাটফর্ম ছিল, বঙ্গবন্ধুর এক ডাকে ৭ই মার্চ সমাবেত হয়েছিল লাখ জনতা, তারপরের সব তো আমাদের অহংকারের ইতিহাস!
১৯৯০ সালেও ছিল; কিন্তু আজ আমরা সবাই পরস্পরের বিরুদ্ধে মুখোমুখি দাঁড়িয়ে অবিশ্বাসী মন ও মগজ নিয়ে। এই মুহুর্তে আমাদের দরকার একটি প্ল্যাটফর্ম, একটি মতাদর্শ, একটি অবস্থান-যেখান হতে আমরা সবাই একতাবদ্ধ হয়ে লড়াই করব আমাদের দেশের শত্রুদের বিরুদ্ধে, তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে, পুঁজিপতিদের বিরুদ্ধে, নব্য সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে!
রাশেদা রওনক খান : শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
[email protected]



Leave a Reply