সমকামী বিয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছেন অ্যাঙ্গলিকান মিনিস্টাররা। অ্যাঙ্গলিকান সম্প্রদায়ের মধ্যে যারা খ্রিস্টান ধর্মীয় নেতা ও এজেন্সিতে কাজ করেন তাদের বলা হয় অ্যাঙ্গলিকান মিনিস্টার।
তারা একটি খোলা চিঠি লিখেছেন জেনারেল সাইনডের কাছে। ক্যান্টারবারি ও ইয়র্কের কনভোকেশন মিলিয়ে গঠিত জেনারেল সাইনড।
ওই চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অ্যাঙ্গলিকান পাদ্রিরা বলেছেন, তারা নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে এরই মধ্যে একই লিঙ্গের পার্টনারকে বিয়ে করেছেন। চার্চের নেতারা যেন এলজিবিটি সম্প্রদায়ের ওপর থেকে এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে তাদের আশীর্বাদ করেন। এ চিঠিতে চার্চ অব ইংল্যান্ডের আরও ডজনখাবেন মিনিস্টারের স্বাক্ষর করার কথা রয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে যখন তারা সমবেত হবেন তখন যেন পুরুষ-পুরুষ বা নারী-নারী সমকামী পার্টনারের বিয়েকে অনুমতি দেয়া হয়। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ইন্ডিপেন্ডেন্ট।
উল্লেখ্য, জেনারেল সায়নড ফেব্রুয়ারিতে মিলিত হয় লন্ডনে। জুলাইতে ইয়র্কে। আবার কখনও তারা লন্ডনে মিলিত হয় নভেম্বরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ক্যান্টারবারি ও ইয়র্কের আর্চবিশপ জাস্টিন ওয়েলবি ও জন সেনতামু সমকামী বিয়েতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ২০১৪ সালের মার্চে তারা এ সিদ্ধান্ত নেন। এর ফলে চার্চের পাদ্রিরা সমকামী বিয়ে করতে পারেন না। কিন্তু ঘটে গেছে তার উল্টো। নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও উত্তর লন্ডনে বিশপের সহযোগী অ্যানড্রু ফোরশেউ-কেইন ২০১৪ সালের জুনে বিয়ে করেছেন তার পার্টনার স্টিফেনকে। তবে তাকে এ জন্য তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়নি।
কিন্তু নটিংহ্যাম ক্যানন জেরেমি পেবারটন ২০১৪ সালের এপ্রিলে এমন বিয়ে করার জন্য চার্চ অব ইংল্যান্ড তাকে বরখাস্ত করে। এ জন্য তিনি মামলা করেছেন।
ওদিকে রেভারেন্ড ফোরশিউ-কেইন বলেছেন, আমাদের বিযে আইনগতভাবে বৈধ। সমাজ আমাদের বিয়ে মেনে নিয়েছে। উৎসব হয়েছে আমাদের বিয়েতে। তবে চার্চ অব ইংল্যান্ড এক্ষেত্রে শাস্তি আরোপ করেছে। তারা সমকামী বিয়ে স্বীকৃতি দিতে অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে চার্চ অব ইংল্যান্ডের মুখপাত্র মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।



Leave a Reply