সোনালি গাউনের অনেকটাই এলোমেলো। উন্মুক্ত শরীর। উর্ধ্বাঙ্গ প্রায় অনাবৃত। দীপিকা পাড়ুকোনের এমন একটি ছবিই ভাইরাল নেট দুনিয়ায়৷ কিন্তু সত্যিটা কী? সত্যিই কি ওয়ার্ডরোব ম্যালফাংশনের শিকার হয়েছিলেন অভিনেত্রী?
যা রটে তা সবসময় সত্যি হয় না।
দীপিকার ভাইরাল ছবি তাইই প্রমাণ করছে। আসলে যে ছবিটি ঘুরছে, সেটি একটি বিকৃত ছবি।
xXx: Return of Xander Cage ছবির বলিউড প্রিমিয়ারে এসেছিলেন ভিন ডিজেল। সেখানেই দীপিকা পরেছিলেন একটি সোনালি গাউন। দীপিকা হলিউডি ছবির প্রিমিয়ারে ঝলমল করে উঠেছিলেন যথেষ্ট সাহসী পোশাকেই। কিন্তু সে পোশাককে বিকৃত করা হয়। একই ছবিকে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে পাল্টে 540709-deepika-xxx-3 দেয়া গাউনের নেকলাইন। ফলে মনে হচ্ছে দীপিকার শরীরের উর্ধ্বাংশের অনেকটাই অনাবৃত হয়ে পড়েছে। সে ছবিকেই ওয়ার্ডরোব ম্যালফাংশনের তকমা দিয়ে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অনেকেই তা সত্যি ভাবছেন। কিন্তু আরও একবার নেটদুনিয়ার বিকৃতির শিকার হলেন অভিনেত্রী।
এর আগে এক সর্বভারতীয় সংবাধমাধ্যমে দীপিকার এমন ছবি প্রকাশ করেছিল, যেখানে অভিনেত্রী নন ছবির বিষয় যেন হয়ে উঠেছিল তাঁর ক্লিভেজ। তারপরই তা নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। বক্ষ বিভাজিকাই যে তাঁর পরিচয় নয় সে কথা সোচ্চারে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন তিনি।
দীপিকার সাহসী স্টেটমেন্টের পর বলিউডপাড়ার একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। পরবর্তীকালে নিজের কাজে তিনি প্রমাণও করে দিয়েছেন অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর যোগ্যতা কতখানি।
সেখানে ক্লিভেজের পাবলিসিটি যে নেহাতই ক্লিশে, তা প্রতি কাজে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করেই যেন খুশি কাপুর থেকে আলিয়া বেদিরা বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তবে ঘুরেফিরে দেখা গেল সেই একই ছবি।
ফের বডি শেমিংয়ের শিকার হলেন খোদ দীপিকা পাড়ুকোনই। এখনও এ বিষয়ে নায়িকা নিজে কিছু বলেননি। কাজে ও কথায় যেভাবে উইমেন এমপাওয়ারমেন্টের প্রতিনিধি হয়ে উঠেছেন দীপিকা। আর তাই এ ব্যাপারে তাঁর থেকে কড়া জবাবই আশা করছেন তাঁর গুণমুগ্ধরা।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন



Leave a Reply