নিজস্ব প্রতিবেদক: আওয়ামী লীগের ’সভানেত্রী’ হিসেবে দলের একটি অংশ যে শেখ রেহানাকে কামনা করেন, সেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানাকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা করা হয়েছে।
শনিবার রাতে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইলিয়াস হক বলেন, “গত ১৭ জুলাই জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে ৫৭ জন কার্যনিবাহী কমিটিতে ও ১৪ জনকে উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য করা হয়। শেখ রেহানাকে উপদেষ্টামণ্ডলীর ৩ নম্বর সদস্য করা হয়েছে।”
গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি চৌধুরী এমদাদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান এ কমিটির অনুমোদন দিয়েছেন বলে ইলিয়াস জানান।
প্রসঙ্গত, গত বছর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনে উপস্থিত নেননি শেখ রেহানা। সম্মেলনের কয়েকদিন আগে তিনি হঠাৎ করেই লন্ডন চলে যান। ঢাকা মহানগর দক্ষিণের দুই নম্বর কাউন্সিলর কার্ডে তার নাম ছিল। এছাড়া তার পুত্র রিদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি’র নাম ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিলর হিসেবে থাকলেও পরবর্তীতে কাউন্সিলের আগেই দলীয় বৈঠকে তার কার্ড বাতিল করা হয়।
তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের স্বামী খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু ফরিদপুর জেলার কাউন্সিলর হিসেবে অংশ নেন।
এছাড়া শেখ হাসিনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় অবশ্য রংপুর আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর হিসেবে সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন।
শেখ রেহানার ওই সময়ে কাউন্সিলের অংশগ্রহণ না করার কোনো ব্যাখ্যা বা বক্তব্য দলীয়ভাবে জানানো হয়নি।
যদিও ববি’র নাম প্রত্যাহারের কারণ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তিনি যে প্রতিষ্ঠানে যুক্ত আছেন, সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন না। তাই কাউন্সিলর পদ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’
প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসে পড়াশোনা করা ববি জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)’র কনসালট্যান্ট। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের গবেষণা সেল ‘সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশনের’ (সিআরআই) একজন ট্রাস্টি।
প্রসঙ্গত, দলের ভেতরের একটি অংশ মনে করে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে অন্যতম যোগ্য শেখ রেহানা।




Leave a Reply