কলকাতা সংবাদদাতা: টালিউডের নায়িকা শ্রীলেখা মিত্রের একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গেছে। যা ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
কলকাতায় নিজ বাসায় বসে আনন্দবাজার পত্রিকার এক সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় এই ছবিটি তোলা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
লং টপসের সঙ্গে মাল্টি কালার হাফপ্যান্ট পড়া ছবিটিতে শ্রীলেখাকে হাস্যজ্বল দেখাচ্ছে।
ওপার বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। বৈচিত্রময় সব কাজ দিয়ে তিনি বাংলাদেশেও বেশ পরিচিত। বিশেষ করে হাস্যউজ্জ্বল মুখ ও আবেদনময়ী অভিনয় তাকে আলাদা করেছে সবার থেকে। শ্রীলেখা শুধু লাইট ক্যামেরা অ্যাকশন ফ্রেমে বন্দী তারকাই নন। মাঝে মধ্যে লেখালেখিও করেন দু-চারটে পত্রিকায়।
এর আগে শ্রীলেখা মিত্র এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, অনেক পুরুষের ফ্যান্টাসি (রাতের স্বপ্ন) আমি।
তিনি বলেছিলেন, বিভিন্ন বয়সের পুরুষ আমাকে ফ্যান্টাসাইজ করে। বেশ ভালই লাগে। যারা এখন ৩০-এর কোঠায় তেমন অনেকে বলেছেন, তাদের বেড়ে ওঠা, সেক্সুয়ালি নিজেকে জানা, তার মাধ্যম হলাম আমি। এটা আমার কাছে একটা বিরাট কমপ্লিমেন্ট। কাউকে কাউকে হয়তো আমি ‘সেক্সাইট’ (যৌন উত্তেজিত) করি।
তিনি আরও বলেন, হোয়াট্অ্যাপে আমি ছেলেদের সঙ্গে চুটিয়ে ফ্লার্ট করি। ফ্লার্ট করাটা তো হেলদি (স্বাস্থ্যসম্মত)। জানেন, আমার এখন কিছু বাচ্চাকাচ্চা ছেলে জুটেছে। আর একটা বয়সের পর বোধহয় বাচ্চা ছেলেদের ভাল লাগে। আর আমার বয়সী যারা তাদের প্রবলেমটা হল, তাদের একটা বউ আছে। সেই বউকে নিয়ে তারা বোরড হয়ে যায়। ব্যস এ বার একটু ছুঁকছুঁকানি। হু হু শ্রীলেখা…হলে ভালই হত। আমি কেন সেটাতে হাওয়া দিতে যাব?
শ্রীলেখা বলেন, আমার তো একসঙ্গে চার-পাঁচ জন পুরুষ দরকার। যারা বিভিন্ন কাজ করে দেবে। একজন ফাইনান্স দেখবে। কোথায় কোথায় ইনভেস্ট করব সে সব বলে দেবে। আর একজন রোমান্টিক হবে। যে মাঝে মাঝে দু’কলি গান গেয়ে দেবে। কবিতা পড়ে দেবে। কবিতা আর ফিনান্সটা একসঙ্গে খুব চাপের। আর একজন বাজারটা করে দেবে। আমার মেয়ে একবার বলেছিল, মাম্মা যারা কেয়ারিং হবে, তারা হ্যান্ডসাম হবে না, আবার হ্যান্ডসাম হলে কেয়ারিং হবে না কিন্তু। চয়েজ ইজ ইয়োরস্। আসলে একজন পুরুষের মধ্যে তো সব কিছু থাকে না। তাই ছড়িয়ে দাও ভালবাসা।
এর আগে ২০১৫-তে ‘আশ্চর্য প্রদীপ’-ছবির সি থ্রু কালো শাড়ি আর ব্লাউজ পরা শ্রীলেখার একটি ছবি ভাইরাল হয়ে গিয়েছিল। গত বছর অাগস্টের এক সাক্ষাত্কারে নায়িকা জানিয়েছিলেন, ‘‘ছবিটায় দেখবেন সি থ্রু ব্লাউজ আর শাড়ি পরে আমি হাঁটছি। আমার চারপাশের লোকেরা ছবিতে একেবারে নির্লিপ্ত! এটা কখনও সম্ভব? সি থ্রু শাড়ি পরতে পারি। ব্লাউজ পরার সাহস এখনও হয়নি। চমকে দেওয়ার জন্য কিছু করব না।’’



Leave a Reply