টাঙ্গাইল: দনি যতই যাচ্ছ,ে ততই বাড়ছে আধুনকিতা। আর এই আধুনকিতা বাড়ার সাথে সাথে হারয়িে যাচ্ছে মাটরি তরৈি শল্পিপণ্যগুলো। এক সময় মাটরি তরৈি তজৈসপত্ররে প্রচুর ব্যবহার ছলি । সইে তজৈসত্ররে স্থান দখল করে নয়িছেে এ্যালুমনিয়িাম ও প্লাস্টকিরে তরৈি তজৈসপত্র । এসবরে দাম বশেি হলওে অধকি টকেসই । তাই টাকা বশেি হলওে এ্যালুমনিয়িাম ও প্লাস্টকিরে তরৈি তজৈসপত্রই কনিে থাকে সাধারণ মানুষরো।
র্বতমানে গ্রাম অঞ্চলরে বভিন্নি উৎসব, মলোয় তরৈি খলেনা পুতুল ছাড়া অন্য কোন মৃৎ শল্পিরে গ্রাহক নইে বললইে চল।ে র্বতমানে অ্যালুমনিয়িাম, প্লাস্টকি ও স্টলিরে জনিসিপত্ররে সঙ্গে প্রতযিোগতিায় টকিে থাকতে না পরেে মৃৎশল্পি আজ বলিুপ্তরি মুখে পড়ছে।ে ফলে এ পশোয় জড়তি বশিষে করে এটাই যাদরে জীবকিার একমাত্র অবলম্বন তাদরে জীবনযাপন একবোরইে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে।ে
এ বষিয়ে এনায়নেপুররে মৃৎশল্পি ব্যবসায়ী নতিাই পাল বলনে, আগে আমাদরে ব্যবসায় ভাল চলত । আগে যখন শসিা, প্লাস্টকিরে মাল ছলি না তখন আমরা রমরমা ব্যবসা করতাম। আর এখন মাটরি তরৈি জনিসিরে প্রতি মানুষরে আকষণ নইে। এখন মাটরি জনিসি চলে কম। অন্যন্য কাজ করে আমরা এগয়িে যাই কন্তিু আমরা মাটরি কাজ করে এগয়িে যতেে পারছি না। আমার বয়স যখন ৮ বা ১০ বছর তখন আমি ১ টাকা থকেে ৪ টাকা করে পাতলি বক্রিি করতাম। আগে অনকে লোকজনই এই ব্যবসায়রে সাথে জড়তি ছলি।
র্বতমানে অনকেইে এই ব্যবসায় ছড়েে দচ্ছি।ে আগে যে পরমিাণে বক্রিি হতো, তার থকেে এখন ৪ ভাগরে ১ ভাগ বক্রিি হয়। আবার অনকে সময় চলইে না। এখন আমাদরে এ ব্যবসায় একবোরইে অচল। যারা এ ব্যবসায় স্মৃতি হসিবেে ধরে রখেছে,ে তারা একদমই চলতে পারে না।
মৃৎশল্পি ব্যবসায়ী অমূল্য পাল বলনে, আমাদরে এই ব্যবসায় এখন ১৬ আনার মধ্য ৬ আনা চল,ে ১০ আনাই চলে না । আমাদরে ছলে-েময়েে আছ,ে ছলে-েময়েদেরে লখো-পড়া করাতে গলেে যে র্অথরে দরকার, এই ব্যবসায় থকেে তা উঠানো যায় না। চাকররিক্ষত্রেে ৫ থকেে ১০ লাখ টাকা লাগতছে,ে এই টাকা দবিে ক।ে আর এই জন্যই আমরা ভাত পাই বা না পাই বাধ্য হয়ইে এই কাজ করতছে।ি
মৃৎশল্পি ব্যবসায়ী নারায়ন চন্দ্র পাল বলনে, আমাদরে এই ব্যবসায় এখন চলে না, এই ব্যবসায় এখন কোন ভলেু নাই। বৃদ্ধ বয়সে এখন কি করব, তাই জোর করইে এই ব্যবসায় কর।ি সলিভার, প্লাস্টকি, স্টলিরে পণ্য নামার কারণএেই ব্যবসায় অচল হয়ে যাচ্ছ।ে কসল,ি হাড়ি পাতলি এগুলো এখন একদমই চলে না।
মৃদশল্পিী রতন পাল, মায়া রানী পাল, ঝুমা পাল বলনে, এটা আমাদরে পশো, ক্ষতি হলওে আমাদরে এই ব্যবসা চালয়িে যতেে হব।ে এই কাজ করে এখন আমাদরে সংসার খরচও উঠতে চায় না। আমাদরে ছলে-েময়েদেরে লখোপড়া করানো খুব কষ্ট হয়ে পড়।ে
বলিপ্তরি পথে টাঙ্গাইলরে মৃৎশল্পি
যে কোনো সংবাদ জানতে আমাদের ফেসবুক পেজে যুক্ত থাকুন।



Leave a Reply