রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চোরাচালান, হামলা, কাস্টমস কর্মকর্তাদের মারধরসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে বিমানবন্দর থানা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াছিন মিয়াকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সে হামলা ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের মারধরের মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি।
বিমানবন্দর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মাসুদ আলম দিপু ও সাধারণ সম্পাদক এসএম লিজাউর রহমান বিপুল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিপুল জানান, সংগঠনের অজান্তেই কার্গো কমপ্লেক্সে হামলাসহ নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়ে ইয়াসিন। বিষয়টি তাদের নজরে এলে সোমবার তাকে বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ১০ আগস্ট যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পরিচয়দানকারী বদরুল আলম শ্যামল ও ইয়াছিন মিয়া গ্রুপ কাস্টমস কর্মকর্তাদের মারধর করে ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কুরিয়ার ইউনিট থেকে প্রায় ৮ কোটি টাকার পণ্য লুট করে।
এ ঘটনায় ঢাকা কাস্টম হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা শাহজাহান আলী বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় একটি মামলা করেন। মামলার এজাহারভুক্ত আসামি যুবলীগ নেতা জসিম উদ্দিন, আনিসুর, জহাঙ্গীর, সৌরভসহ ৭ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
কাস্টমস সূত্র জানায়, বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সের কুরিয়ার ইউনিটে যুবলীগ নেতা বদরুল আলম শ্যামলের নেতৃত্বে অর্ধশত সন্ত্রাসী প্রবেশ করে। তারা বিল এন্ট্রি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার সুযোগ না দিয়ে বেশ কিছু কার্টন জোর করে বের করে নেয়ার চেষ্টা করেন। কাস্টমস কর্মকর্তারা বাধা দিলে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়।
মামলায় ৮ জনকে এজাহার নামীয় আসামি ও ৩০ থেকে ৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। মামলার আসামিরা সবাই স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী।
আসামিরা হলেন বদরুল আলম শ্যামল, তার ভাই ফকরুল আলম প্রিন্স, যুবলীগ কর্মী শহীদুল ইসলাম অপু, হাদীস উল্লাহ, ছাত্রলীগ নেতা ইয়াসিন, আসাদ, সুমন ও মোহাম্মদ আলম।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


