নিজস্ব প্রতিনিধি: প্রেমের টানে বাংলাদেশে গিয়ে ধর্মান্তরিত হওয়া ভারতীয় নারী দেবী রানি’র রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তামিলনাড়ুর দেবী রানী কয়েকমাস আগে এক বাংলাদেশিকে ভালবেসে বিয়ে করে বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে এসে মুসলিম হয়ে সংসার করছিলেন।
সনাতন ধর্ম ছেড়ে মুসলিম হওয়ার পর তার নাম হয় ফাতেমা আক্তার। তিনি ভারতীয় নাগরিক ছিলেন। শুক্রবার রাতে লৌহজংয়ের হাট ভোগদিয়া গ্রামে স্বামীর বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।
ফাতেমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বলছে, ফাতেমা আত্মহত্যা করেছে। তবে প্রতিবেশীরা জানায়, ফাতেমার স্বামী রিমু মৃধা নেশাখোর। প্রায়ই সে বউকে মারধর করতেন। ঘটনার দিন ও ঘটনার আগের দিন প্রতিবেশীরা তাদের ঝগড়া শুনতে পেয়েছে।
এদিকে তার মৃত্যুর পর রিমুর পরিবার তড়িঘড়ি করে কবর দেওয়ার প্রস্তুতি নেয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। লৌহজং থানা পুলিশ অভিযোগ পেয়ে শনিবার সকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিক্রমপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।
জানা যায়, কয়েক বছর আগে লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও ইউনিয়নের হাট ভোগদিয়া গ্রামের সালাম মৃধার ছেলে রিমু মৃধা কাজের খোঁজে ভারতের তামিলনাড়ুতে যান। সেখানে দেবী নামের একটি হিন্দু মেয়ের সঙ্গে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন তিনি। বছর দেড়েক আগে ভিসা ছাড়াই সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন তারা দুজন। এখানে এসে মুসলমান হন মেয়েটি। আবদ্ধ হন বিয়ের বন্ধনেও।
লৌহজং থানার ওসি আনিছুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাধ্যমে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন ও তামিলনাড়ুতে মেয়েটির পরিবারকে জানানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



Leave a Reply