বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

পে স্কেল নিয়ে অসন্তোষ, ক্ষোভ অব্যাহত

pay-scale-পে-স্কেল-নিয়েনতুন পে-স্কেলের বিভিন্ন বিধান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অব্যাহত রয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ। মঙ্গলবার রাতে নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পর বৃহস্পতিবার ছিল প্রথম কর্মদিবস। প্রশাসন যন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু বাংলাদেশ সচিবালয়সহ সরকারের অন্যান্য দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল আলোচনাই ছিল পে-স্কেল। প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রায় সবার বেতন বাড়লেও কিছু বিষয় নিয়ে বেশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি কলেজের শিক্ষক এবং এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারী। এছাড়া অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নন-ক্যাডার কর্মকর্তা এবং সরকারি কর্মচারীরা। এর আগে তারা সবাই বেতনের প্রজ্ঞাপন জারির পরপরই তাদের ক্ষোভের কথা মিডিয়ার কাছে জানিয়েছিলেন।

সংক্ষুব্ধ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সংগঠনগুলো বৃহস্পতিবার আলাদাভাবে বৈঠক করেছে। অনেক সংগঠন বিবৃতি দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, কারও ক্ষেত্রে শর্ত সাপেক্ষে পে-স্কেল বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বাতিল করে গ্রেড পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আলাদা শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে অনেক শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী আর্থিক এবং মর্যাদাগত দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এতে বৈষম্যের সৃষ্টি করা হয়েছে। বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির (ইনক্রিমেন্ট) ক্ষেত্রেও আইনগত অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। এভাবে নানা ধরনের অভিযোগ আছে নতুন পে-স্কেল নিয়ে। এজন্য ভুক্তভোগী শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী সংগঠনের নেতারা আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দিয়েছেন। আবার কেউ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন।

পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পর প্রথম কর্মদিবস ছিল বৃহস্পতিবার। এদিন সচিবালয়সহ সরকারি দফতরগুলোয় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে প্রধান আলোচ্য বিষয়ই ছিল পে-স্কেল। সকালে সচিবালয়সহ রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি অফিস এবং বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে প্রজ্ঞাপনের আদেশ ডাউনলোড করছেন তারা। আবার কেউ ডাউনলোড করা পে-স্কেলের আদেশের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করছেন। সকাল থেকে এ অবস্থা থাকলেও বিকালে শুরু হয় বৈঠক পর্ব। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি ও বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ বিকালে আলাদা বৈঠক করেছে। বাংলাদেশ সচিবালয় পার্সোনাল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন বেলা ১১টার দিকে সচিবালয়েই বৈঠক করে। এছাড়া সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদও আলাদা বৈঠক করেছে। এমপিওভুক্ত একাধিক শিক্ষক সংগঠনেরও এ নিয়ে বৈঠক হয়েছে। কয়েকটি শিক্ষক সংগঠন বিবৃতিও দিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক : দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের’ মহাসচিব অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল বলেন, আমাদের দাবি ছিল, কর্মরত শিক্ষকদের মধ্য থেকে একটি অংশকে সিনিয়র সচিবের সমান পদমর্যাদা দেয়ার বিষয়ে। এ নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়। তিনি আমাদের কথা দিয়েছিলেন। কিন্তু ঘোষিত পে-স্কেলে তার কোনো প্রতিফলন পাওয়া যায়নি। এছাড়া অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় প্রভাষক পদ অষ্টম গ্রেডে শুরু করা এবং টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড রাখার কথা ছিল। কিন্তু এ দুটি বিষয়ে কী পাওয়া গেছে, প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে তা স্পষ্ট নয়। এ অবস্থায় সারা দেশ থেকে শিক্ষকরা আমাদের টেলিফোন করছেন। আমরা পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন পর্যালোচনা করছি। তিনি বলেন, ‘আমরা হার্ডলাইনে যাব। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেব। তবে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার আগে আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করব। প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে রোববার আমরা চিঠি দেব।’

সরকারি কলেজ শিক্ষক : সরকারি কলেজ শিক্ষকদের সংগঠন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় পে-স্কেল পর্যালোচনার জন্য বৈঠকে বসে। বৈঠকে বসার আগে সমিতির সভাপতি অধ্যাপক নাসরিন বেগম বলেন, ঘোষিত পে-স্কেলে আমরা মোটেই সন্তুষ্ট নই। আমাদের ক্যাডারে অনেক বিষয় আছে সহকারী অধ্যাপকের পর পদোন্নতির সুযোগ প্রায় বন্ধ। এমনকি প্রভাষক পদ থেকে পদোন্নতি পেতে ১০ বছরের বেশি সময় লেগে যায়। এসব কর্মকর্তা যদি সিলেকশন গ্রেড আর টাইম স্কেলের সুবিধা না পান, তাহলে তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, পে-স্কেলে আমাদের চতুর্থ গ্রেডেই রাখা আছে। মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আগের মতো মোট অধ্যাপকের ৫০ শতাংশ ৩য় গ্রেড পাবেন। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ মন্ত্রণালয় আর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) ওপর আমাদের ভরসা কম। তারা এটি কবে নিষ্পত্তি করবেন, তার কোনো ঠিক নেই।

এ সমিতির মহাসচিব আইকে সেলিমউল্লাহ খোন্দকার বলেন, অন্য সব ক্যাডারের কর্মকর্তারা ৫ম গ্রেড থেকে সরাসরি ৩য় গ্রেডে যান। কিন্তু আমরা ব্যতিক্রম। ৫ম গ্রেড থেকে ৪র্থ গ্রেডে যাই। এটি নিষ্পত্তির দাবি ছিল। তা করা হয়নি। বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাউশি পরিচালকসহ অন্য পদের আপগ্রেডেশন করার দাবিও ছিল। এ বিষয়টি হয়তো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের হাতে। পদ সৃষ্টি না করলে তা হবে না। কিন্তু ৫ম গ্রেড থেকে ৩য় গ্রেডে উন্নীত করার দাবি পূরণের বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিষয় নয়। এটি অর্থ মন্ত্রণালয় নিষ্পত্তি করতে পারত। তা তারা করেনি। এ অবস্থায় আমাদের সীমাহীন ক্ষোভ আছে। সারা দেশে প্রায় ১৫ হাজার কর্মকর্তা আছেন। তাদের ক্ষোভের প্রশমন করার কৌশল আমাদের জানা নেই। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, আমাদের বক্তব্য নিয়ে রোববার মন্ত্রী-সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করব। সন্তোষজনক কোনো কিছু না পেলে ২২ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

এমপিওভুক্ত শিক্ষক : বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের শর্তসাপেক্ষে পে-স্কেলের অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শর্ত হচ্ছে, যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিও নির্দেশিকা অনুযায়ী কার্যকর আছে তারাই কেবল নতুন পে-স্কেলের অধীনে আসবে। বাকি প্রতিষ্ঠান বাদ যাবে। ইতিপূর্বে পে কমিশনের সুপারিশে বলা হয়েছিল, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে টিউশন ফি সরকারি কোষাগারে জমা নেয়া হবে। এর ৬ মাস পর নতুন পে-স্কেল তাদের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত পে-স্কেলের গেজেটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই।

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সংগঠনগুলো সরকারের এ সিদ্ধান্তে অসন্তুষ্ট। বিভিন্ন শিক্ষক সমিতি আলাদা বিবৃতিতে বলেছে, যাচাই-বাছাইয়ের নামে কালক্ষেপণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি বৃহস্পতিবার এক সভায় মিলিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক। এ সভা থেকে বলা হয়, এমপিও দেয়ার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আয় সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ার শর্ত দিয়েছে। আমরাও জমা দেব, তবে তা শর্তসাপেক্ষে। শর্তটি হচ্ছে, শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ। এটা করা হলে টিউশন ফি জমা দেয়া হবে।

সভা থেকে বলা হয়, সরকার এ শর্ত রাজি না হলে এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে শর্তহীনভাবে নতুন পে-স্কেলের অধীনে আনতে হবে। বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (জুলফিকার), বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (রনি), শিক্ষক-কর্মচারী সংগ্রামী পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন একইভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।

তবে আরেকটু কঠোরভাবে বলেছে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট। এ সংগঠনটি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেল না দিলে রাজপথে নামতে বাধ্য হওয়ার হুমকি দিয়ে বলেছে, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত করতে একটি মহল সরকারকে প্ররোচিত করছে। তারা শিক্ষকদের পে-স্কেল থেকে বঞ্চিত করে রাজপথের আন্দোলনে ঠেলে দিচ্ছে। তারা বলেন, সরকার বেসরকারি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। কেননা ইতিপূর্বে সরকার ঘোষণা দিয়েছিল যে, বেসরকারি শিক্ষকদের ১ জানুয়ারি থেকেইে পে-স্কেল প্রদান করবে। অথচ সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বাদ দিয়ে পে-স্কেল ঘোষণা করেছে।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী : এদিকে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ, বাংলাদেশ সচিবালয় পারসোনাল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদসহ বিভিন্ন সংগঠন বৃহস্পতিবার পৃথক বৈঠক করেছে। সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় এক জরুরি সভায় মিলিত হয়। সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন সভাপতিত্ব করেন। এতে পে-স্কেলের সার্বিক বৈষম্যমূলক চিত্র উপস্থাপন করেন সংগঠনের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ। সভায় পে-স্কেলকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যায়িত করে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন হয়নি। নিু বেতনভুক্ত কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের কথা বিবেচনায় না রেখে শুধু উচ্চ পদের আমলাদের সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার দিকটি পে-স্কেলে প্রাধান্য পেয়েছে। পে-কমিশনের সুপারিশকৃত ১৬টি ধাপকে বাস্তবায়ন না করে ২০টি গ্রেডে বেতন কাঠামো নির্ধারণ, টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড প্রত্যাহারসহ সর্বনিু এবং সর্বোচ্চ স্তরের বেতন ব্যবধান কর্মচারীদের কাছে চরম বৈষম্যমূলক। এ বিষয়ে প্রতিকারের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

প্রজ্ঞাপন পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সচিবালয় পারসোনাল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কেন্টিনে এক সভায় মিলিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি আবদুল কুদ্দুছ খান। সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরিদ আহম্মেদ বলেন, আগে পে-স্কেল প্রকাশের পর সচিবালয়ে মিষ্টি বিতরণের ধুম পড়ে যেত। এবারকার চিত্র ভিন্ন। প্রাণ নেই কর্মচারী অঙ্গনে। প্রকারান্তরে বইছে সমালোচনার ঝড়, তীব্র ক্ষোভ আর চরম হতাশা। এতে কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর রাখা পরামর্শ সরাসরি উপেক্ষিত হয়েছে। তিনি বলেন, এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দশম গ্রেডের কর্মচারীরা। সাধারণ কর্মচারীদের আপগ্রেডেশনের সুযোগ কমিয়ে ১০ বছরে নির্ধারণ করা হয়। অন্যদিকে নবম গ্রেড থেকে কর্মচারীদের ৪, ৫, ১০, ১২, ১৪, ১৭ ও ২০ বছরে আপগ্রেডেশন ও পদোন্নতির সুযোগ রাখা হয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন বলেন, সচিবালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ১০ গ্রেডধারী। ১টি সিলেকশন গ্রেড ও ২টি টাইম স্কেল পেয়ে তারা ৭ গ্রেডে যেতেন। অষ্টম পে স্কেলে এ সুযোগ রাখা হয়নি।

সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী ঐক্য পরিষদ এক সভা থেকে তিন দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলো হচ্ছে, কর্মকর্তাদের ন্যায় কর্মচারীদের বেলায়ও ৪, ৫, ১০, ১২, ১৪, ১৭ ও ২০ বছরে গ্রেড পরিবর্তনের সুযোগ রাখা। পুলিশসহ ২৩ ক্যাটাগরির কর্মকর্তাকে যেভাবে প্রথম শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়েছে, সেভাবে সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের ১০ গ্রেড থেকে নবম গ্রেডে উন্নীত করা। নতুন পে-স্কেলে সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ৩০ শতাংশ হারে সচিবালয় ভাতা প্রদান করা।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার রাতে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে সরকার। পরদিন বুধবার বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন (নন-ক্যাডার), বাংলাদেশ সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদসহ (বাসসকপ) বিভিন্ন সংগঠন ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছিল।

o অষ্টম পে স্কেলের গেজেট অবশেষে প্রকাশ হল

o বেতন স্কেল: বৈষম্য ছাড়াও অসঙ্গতি পদে পদে

o পে স্কেল নিয়ে কঠোর অবস্থানে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটি

o পে স্কেলের গেজেটের দাম ১৬ টাকা (মূল কপি দেখুন)

আরও পড়ুন