এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন বেড়েছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। সেই সঙ্গে বেড়েছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারের দর। ফলে অনেকদিন পরে হলেও হাসি ফুটেছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের মুখে। তারা এমন একটি স্থিতিশীল বাজার প্রত্যাশা করছিলেন।
বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর প্রধান সূচক বেড়েছে ৫৮ দশমিক ৮ পয়েন্ট। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএস৩০ সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১২ শতাংশ বা ৫৩ দশমিক ২২ পয়েন্ট। অপরদিকে শরিয়া বা ডিএসইএস সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ২০ দশমিক ৩৯ পয়েন্ট।
এই সময়ের মধ্যে তালিকাভুক্ত মোট ৩২৯টি কোম্পানি শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭০টির, কমেছে ১৩১টির এবং অপরিবর্তিত আছে ২৫টির। আর ৩টি কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়নি।
আগের সপ্তাহের চেয়ে ডিএসইতে ৬৮১ কোটি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭০৫ টাকার শেয়ার লেনদেন বেড়েছে। গত সপ্তাহে ডিএসইতে ২ হাজার ১৬৯ কোটি ৫১ লাখ ১ হাজার ৮৩৭ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ৪৮৮ কোটি ৪৯ লাখ ৫ হাজার ১৩২ টাকার শেয়ার।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে ‘এ’ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৯৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। আর ‘বি’ক্যাটাগরির কোম্পানির লেনদেন হয়েছে ১ দশমিক ১৩ শতাংশ। ‘এন’ক্যাটাগরির কোম্পানির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪ দশমিক ৮৬ শতাংশ। ‘জেড’ক্যাটাগরির লেনদেন হয়েছে শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ।
অন্যদিকে, দেশের অপর শেযার বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৫৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকার। সিএসইতে ১৪৭ কোটি ৪২ লাখ ২৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৯৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকার শেয়ার।
এদিকে গত সপ্তাহে সিএসইতে মোট ২৭৫টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৩৬টির, কমেছে ১০৭টির এবং অপরিবর্তিত আছে ৩২টির।


